আংশিক সম্ভব, কিন্তু সম্পূর্ণভাবে "প্রকৃতির উপর ছেড়ে দেওয়া" (কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়া) বাণিজ্যিক চাষে নির্ভরযোগ্য নয়। জৈব বালাই দমনের অংশ হিসেবে লেডিবাগ পোকার মতো প্রাকৃতিক শিকারিদের ব্যবহার করে এফিড নিয়ন্ত্রণ, Bacillus Thuringiensis ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে শুঁয়োপোকা নিয়ন্ত্রণ, ভুট্টা ও লাউয়ের আন্তঃফসল চাষের মাধ্যমে পোকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে এটা কার্যকর করতে মানব-পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা যেমন পতঙ্গ-আশ্রয় ফালি, ফসল আবর্তন, সহচর রোপণ, আন্তঃফসল চাষ, ফাঁদ ফসল করার প্রয়োজন হয়। লেডিবাগ বা পরজীবী বোলতার মাধ্যমে সম্পূর্ণ রাসায়নিক কীটনাশক প্রয়োগ ছাড়াই ক্ষতিকর এফিড নিয়ন্ত্রণ কার্যকর হতে পারে এবং প্রাকৃতিক শত্রু পোকাদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে বাসস্থান তৈরির মাধ্যমে সহায়তা করা যায়।
সম্পূর্ণ কীটনাশকমুক্ত রেখে দিলে ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, কীটনাশক ছাড়া ফল উৎপাদন ৭৮%, সবজি উৎপাদন ৫৪% এবং শস্য উৎপাদন ৩২% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বাস্তবে সমন্বিত পোকা-দমন ব্যবস্থাপনাই কাজ করবে। সমন্বিত পোকা-দমন ব্যবস্থাপনা হচ্ছে জৈবিক নিয়ন্ত্রণ, ফসল আবর্তন, প্রাকৃতিক শত্রু সংরক্ষণের সমন্বয়। এটি একটি সমন্বিত কৌশল যা রাসায়নিক কীটনাশকের উপর নির্ভরতা কমিয়ে ফসলের উৎপাদনশীলতা ও বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে, যেখানে কৃষি-ভূদৃশ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক শত্রু সংখ্যা সংরক্ষণের উপর জোর দেওয়া হয় এবং খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে পোকা দমনের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখা হয়।
তথ্যসূত্র:
1)
https://pmc.ncbi.nlm.nih.gov/articles/PMC11465254/
2)
https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC11988313/
3)
https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC6172852/