এর পিছনে জেনেটিক্স, হরমোনাল পরিবর্তন, জীবনযাপনের ধরণ, অভ্যাস, শারীরিক গঠন, বয়সন্ধিকাল আরও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। আমাদের চেহারা, গঠন, ত্বকের ধরন অনেকটাই জিন দ্বারা নির্ধারিত। বাবা-মা থেকে আমরা এসব বৈশিষ্ট পাই। যাদের পরিবারে দেরিতে বয়সের ছাপ পড়ার প্রবণতা আছে তারা সাধারণত বেশি সময় ইয়ং দেখায়। আবার টেস্টোস্টেরন, গ্রোথ হরমোন ইত্যাদির মাত্রা শারীরিক পরিপক্বতায় অনেক বড় ভূমিকা রাখে। কারোও কারোও এই হরমোনাল পরিবর্তন ধীরে হয় যার ফলে মুখমন্ডল, শরীরের পরিবর্তনও ধীরে ধীরে দেখা যায়। পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য, কম স্ট্রেস, ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা, এসবের ফলেও বয়সের ছাপ দেরীতে পড়তে পারে। অনেকে আবার নিয়মিত স্কিন কেয়ার করে। মুখে দাড়ি, গোফ থাকলে তাকে অপেক্ষাকৃত বেশি বয়স্ক মনে হয় আবার দাড়ি, গোফ ছাড়া এমন ছেলেদের বয়স অপেক্ষাকৃত কম মনে হয়। কারও আবার বয়সন্ধিকাল সাধারণ বয়সের তুলনায় আরও পরে শুরু হয়, এজন্যও অনেক সময় তাদের বয়সে কম মনে হয়।
Abdullah Al Masud
Team Science Bee