প্রত্যেক মানুষের আঙুলের ছাপ (Finger Print) আলাদা আলাদা হয় কেন ? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+2 টি ভোট
763 বার দেখা হয়েছে
"লাইফ" বিভাগে করেছেন (1,990 পয়েন্ট)

3 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (1,990 পয়েন্ট)

আমাদের আঙুলের ছাপ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় মায়ের শরীরে থাকাকালীন। গর্ভধারণের ১০ সপ্তাহ থেকে শুরু করে ১৪তম সপ্তাহ পর্যন্ত এই আঙুলের ছাপ পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়। এবং তারপর, মানে জন্মের পর কিন্তু আঙুলের ছাপ প্রাকৃতিক ভাবে আর বদলায় না।

কিভাবে আঙুলের ছাপ আসে তা যদি আমরা দেখি, তাহলে দেখা যায় যে আমাদের ত্বকে তিনটি স্তর থাকে- এপিডারমিস (epidermis), বেসেল লেয়ার (basal layer), ডারমিস (dermis)। এবারে বেসাল লেয়ারটি অন্য দুইয়ের চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায়, এটি তার প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করে। এই চাপ সৃষ্টি হওয়ায় ফলে এপিডারমিসটা ডারমিসের মধ্যে ভাঁজ হয়ে গিয়ে এরকম প্যাটার্ন তৈরি করে। 

 

আঙুলের ছাপ কেন মেলে না?

এর কারণ কিছুটা জিনগত কিন্তু বেশিরভাগটাই নির্ভর করে মায়ের শরীরে থাকাকালীন তার পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর, যেটা কখনও একজন আরেকজনের সাথে মেলে না। রক্তচাপ, মায়ের শরীরে পুষ্টি, হরমোনের মাত্রা, এবং সর্বোপরি মায়ের জরায়ুতে সেই ভ্রূণের একদম ঠিকঠাক অবস্থান, তা মায়ের গর্ভে কতটুকু চাপ খাচ্ছে তার ওপর আঙুলের ছাপ সৃষ্টি হওয়াটা নির্ভর করছে। এবার দেখুন, যমজ সন্তানের ক্ষেত্রেও কিন্তু আঙুলের ছাপ মিলবে না, কারণ দুটো ভ্রূণ মায়ের গর্ভে সমান চাপ পায়নি, একজন কম আর একজন একটু হলেও বেশি পাবে। এটাই এই প্রশ্নের সহজ ভাষায় উত্তর।

প্রকারভেদ- তা ছাড়াও একটু বলে রাখি যে আঙুলের ছাপ মূলত তিন প্রকার হয়- আর্চ (arches), লুপ (loops), হোয়ার্ল (whorls). 

0 টি ভোট
করেছেন (12,550 পয়েন্ট)

আমাদের আঙুলের ছাপ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় মায়ের শরীরে থাকাকালীন। গর্ভধারণের ১০ সপ্তাহ থেকে শুরু করে ১৪তম সপ্তাহ পর্যন্ত এই আঙুলের ছাপ পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়। এবং তারপর, মানে জন্মের পর কিন্তু আঙুলের ছাপ প্রাকৃতিক ভাবে আর বদলায় না।

কিভাবে আঙুলের ছাপ আসে তা যদি আমরা দেখি, তাহলে দেখা যায় যে আমাদের ত্বকে তিনটি স্তর থাকে- এপিডারমিস (epidermis), বেসেল লেয়ার (basal layer), ডারমিস (dermis)। এবারে বেসাল লেয়ারটি অন্য দুইয়ের চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায়, এটি তার প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করে। এই চাপ সৃষ্টি হওয়ায় ফলে এপিডারমিসটা ডারমিসের মধ্যে ভাঁজ হয়ে গিয়ে এরকম প্যাটার্ন তৈরি করে।

image

আঙুলের ছাপ কেন মেলে না?

এর কারণ কিছুটা জিনগত কিন্তু বেশিরভাগটাই নির্ভর করে মায়ের শরীরে থাকাকালীন তার পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর, যেটা কখনও একজন আরেকজনের সাথে মেলে না। রক্তচাপ, মায়ের শরীরে পুষ্টি, হরমোনের মাত্রা, এবং সর্বোপরি মায়ের জরায়ুতে সেই ভ্রূণের একদম ঠিকঠাক অবস্থান, তা মায়ের গর্ভে কতটুকু চাপ খাচ্ছে তার ওপর আঙুলের ছাপ সৃষ্টি হওয়াটা নির্ভর করছে। এবার দেখুন, যমজ সন্তানের ক্ষেত্রেও কিন্তু আঙুলের ছাপ মিলবে না, কারণ দুটো ভ্রূণ মায়ের গর্ভে সমান চাপ পায়নি, একজন কম আর একজন একটু হলেও বেশি পাবে। এটাই এই প্রশ্নের সহজ ভাষায় উত্তর।

আঙুলের ছাপ মূলত তিন প্রকার হয়- আর্চ (arches), লুপ (loops), হোয়ার্ল (whorls).

0 টি ভোট
করেছেন (28,740 পয়েন্ট)
কেন প্রত্যেক মানুষের আঙুলের ছাপ (Finger Print) আলাদা আলাদা হয়? আমাদের আঙুলের ছাপ তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় মায়ের শরীরে থাকাকালীন। গর্ভধারণের ১০ সপ্তাহ থেকে শুরু করে ১৪তম সপ্তাহ পর্যন্ত এই আঙুলের ছাপ পুরোপুরি তৈরি হয়ে যায়। এবং তারপর, মানে জন্মের পর কিন্তু আঙুলের ছাপ প্রাকৃতিক ভাবে আর বদলায় না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+10 টি ভোট
3 টি উত্তর 2,285 বার দেখা হয়েছে
+4 টি ভোট
3 টি উত্তর 3,348 বার দেখা হয়েছে
+10 টি ভোট
4 টি উত্তর 5,242 বার দেখা হয়েছে
+6 টি ভোট
1 উত্তর 467 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
6 টি উত্তর 1,837 বার দেখা হয়েছে
30 এপ্রিল 2021 "লাইফ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন হায়াত (20,400 পয়েন্ট)

10,986 টি প্রশ্ন

18,699 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

900,866 জন সদস্য

245 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 245 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. WebNovaComVN

    120 পয়েন্ট

  2. hay88vicom1

    100 পয়েন্ট

  3. uy88quest1

    100 পয়েন্ট

  4. Uu88la1

    100 পয়েন্ট

  5. mb66comlink

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...