অক্সিজেন ছাড়া আগুন জলে না। তাহলে সূর্যে ত অক্সিজেন নাই,সূর্য কিভাবে জ্বলছে?? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
1,551 বার দেখা হয়েছে
"তত্ত্ব ও গবেষণা" বিভাগে করেছেন (9,290 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

5 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (140 পয়েন্ট)
আমরা জানি, সূর্যে প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন গ্যাস আছে।নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন গ্যাসের দুটি আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে হিলিয়াম গঠনের সময় প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়(মূলত তাপ ও আলোক শক্তি)। হাইড্রোজেনের এই ফিউশন বিক্রিয়াই সূর্যের অক্সিজেন ছাড়া জ্বলার কারন।
0 টি ভোট
করেছেন (9,390 পয়েন্ট)
আমরা জানি, অক্সিজেন ছাড়া আগুন জ্বলে না। তাহলে সূর্যে আগুন জ্বলে কীভাবে? সেখানে তো কোনো অক্সিজেন নেই, ব্যাপারটা কী? এই প্রশ্নের উত্তরে প্রথমে বলা দরকার যে আমরা যেভাবে আগুন জ্বলতে দেখি, সূর্য কিন্তু সেভাবে জ্বলে না। কাঠ বা কয়লা পুড়তে অক্সিজেন লাগে, এটা ঠিক। কিন্তু সূর্য অথবা কোনো নক্ষত্র তাদের কেন্দ্র থেকে যে শক্তি বিকিরণ করে, এবং যাকে আমরা প্রজ্বলন হিসেবে দেখি, সেটা কিন্তু প্রচলিত পদ্ধতির প্রজ্বলন নয়। সূর্যের এই প্রজ্বলন ঘটে হাইড্রোজেনকে হিলিয়ামে রূপান্তরের মাধ্যমে। সূর্যের কেন্দ্রে অক্সিজেন নেই সত্য, কিন্তু হাইড্রোজেন আছে। সেই গ্যাস ব্যবহার করেই সূর্য তাপ বিকিরণ করে। অবশ্য চলতি ভাষায় একেই আমরা বলি, সূর্য হাইড্রোজেন পুড়িয়ে আলো ছড়ায়। আসলে এভাবে ব্যাখ্যা করলে বিষয়টা সঠিকভাবে বলা হয় না। কারণ, ধরা যাক, সূর্যের উপাদানগুলো কয়লা পোড়ার মতো পুড়ছে। তাহলে ওই পরিমাণ কয়লা বা অন্য কোনো জ্বালানি মাত্র ৫০ হাজার বছরেই পুড়ে শেষ হয়ে যেত। অথচ সূর্য জ্বলছে শত শত কোটি বছর ধরে এবং আরও কয়েক শ কোটি বছর জ্বলতেই থাকবে। ঘটনা হলো, সূর্যের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগ হাইড্রোজেন ও ১ ভাগ হিলিয়াম। যখন অতি চাপ ও তাপে হাইড্রোজেন পরমাণু একটু ভারী হিলিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়, তখন এই প্রক্রিয়ায় কিছু ভর ব্যয় হয়। কোথায় ব্যয় হয়? আইনস্টাইনের সূত্র অনুযায়ী এটা শক্তিতে রূপান্তরের কাজে ব্যয় হয়। মনে করুন সেই বিখ্যাত সূত্র E=mc2
সহজেই বোঝা যায়, যেহেতু আলোর গতি c এখানে খুব বড় একটি সংখ্যা, সেকেন্ডে ১ লাখ ৮৬ হাজার মাইল, তাই সামান্য একটু ভরও বিশাল শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে। এভাবে শক্তিতে রূপান্তর প্রক্রিয়াকে আমরা বলি হাইড্রোজেন–সংমিশ্রণ বা হাইড্রোজেন ফিউশন। উদ্‌জান–বোমা বা হাইড্রোজেন বোমা থেকে যে সাংঘাতিক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি হয়, সেটাও এভাবেই। বলা যায়, সূর্য তার কেন্দ্রে প্রতিমুহূর্তে কোটি কোটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। এক হিসাব অনুযায়ী, সূর্য তার কেন্দ্রে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬০ কোটি টন হাইড্রোজেনকে হিলিয়ামে রূপান্তরিত করছে। ফলে উৎপন্ন হচ্ছে প্রচণ্ড শক্তি, যা তাপশক্তি রূপে বিস্ফোরিত হচ্ছে। এই শক্তির পরিমাণ সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায় পৃথিবী থেকেই। আমরা সূর্য থেকে ৯ কোটি ৩০ লাখ মাইল দূরে। এত দূরে, তা সত্ত্বেও আমরা সূর্যের আলো থেকে প্রচণ্ড তাপ শক্তি পাই। প্রশ্ন হলো, এত তাপ বিকিরণ করে সূর্য কীভাবে কোটি কোটি বছর চলছে? আসলে সূর্যের কেন্দ্রে হাইড্রোজেন জ্বালানি এত বেশি যে কল্পনা করাও কঠিন। আরও ৫০০ কোটি বছরেও এই জ্বালানি হয়তো শেষ হবে না।

তথ্যসুত্রেঃ বিজ্ঞান চিন্তা
0 টি ভোট
করেছেন (7,560 পয়েন্ট)

আগুন হলো জ্বালানির সাথে অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়া। অক্সিজেনের অভাবে আগুন জ্বলে না। কিন্তু আগুন যখন জ্বলে তখন রাসায়নিক অণুর পরিবর্তন ঘটে কিন্তু পরমাণুর মৌলিক পরিবর্তন ঘটে না। কিন্তু সূর্যে যা ঘটে তা সাধারণ অর্থে আগুন জ্বলার মত রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়। সূর্যে পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটে। সূর্যসহ সব নক্ষত্র নিজের শক্তি নিজে তৈরি করে। নিউক্লিয়ার ফিউশনের মাধ্যমেই এই শক্তি উৎপন্ন হয়। নিউক্লিয়ার ফিউশনে দুইটি হাইড্রোজেন পরমাণু যোগ হয়ে একটা হিলিয়াম পরমাণুর সৃষ্টি হয় এবং কিছু শক্তির সৃষ্টি হয়। এরকম কোটি কোটি হাইড্রোজেন পরমাণু একই সঙ্গে হিলিয়াম পরমাণুতে রূপান্তরিত হয় বলে একই সাথে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় সূর্যে। এই শক্তিগুলোই বিকিরণের মাধ্যমে সূর্য থেকে ছড়িয়ে পড়ে মহাকাশে। নিউক্লিয়ার ফিউশানে অক্সিজেনের কোন দরকার হয় না। বুঝতেই পারছো, অক্সিজেন ছাড়া যে আগুন জ্বলে না, সূর্যের আগুন সেরকম আগুন নয়।

তথ্য - বিজ্ঞানচিন্তা

0 টি ভোট
করেছেন (5,210 পয়েন্ট)
সূর্যের কেন্দ্রে যে শক্তি সৃষ্টি হয়, তা মূলত তাপ ও উচ্চশক্তিসমৃদ্ধ ফোটন। কিন্তু সূর্যের বহিরাবরণে আসার আগেই বেশির ভাগ ফোটন শোষিত হয়ে যায়। সূর্যের কেন্দ্রের পারমাণবিক বিক্রিয়ার কারণে এর বাইরের দিকের গ্যাস (প্লাজমা) খুব বেশি তপ্ত থাকে। এটাই সূর্যের আলো বিকিরণের মূল উত্স।
ধন্যবাদ।
0 টি ভোট
করেছেন (6,150 পয়েন্ট)
সূর্য সাধারণ আগুনের মতো জ্বলেনা। সূর্য বা যেকোনো নক্ষত্রে একটি প্রক্রিয়া ঘটে, যার নাম নিউক্লিয়ার ফিউশন।
এটি হলো ছোট ছোট পরমাণু মিলে বড় কোনো পরমাণু সৃষ্টি হওয়ার প্রক্রিয়া।
সূর্যে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম থাকে। হাইড্রোজেন হলো সবচেয়ে ছোট পরমাণু, হিলিয়াম হাইড্রোজেনের চেয়ে বড়। এই হাইড্রোজেনের পরমাণু্গুলো সূর্যের কেন্দ্রের প্রচন্ড তাপ ও চাপে যুক্ত হয়ে এর চেয়ে বড় হিলিয়ামের পরমাণুতে পরিণত হয়।
এই প্রক্রিয়ার সময় কিছু হাইড্রোজেনের পরমাণু হিলিয়ামে পরিণত না হয়ে তাপ ও আলোকশক্তিরূপে ছড়িয়ে পড়ে (পরমাণুর ভর থাকে, আর ভর শক্তিতে পরিণত হতে পারে। E=mc^2 অনুযায়ী শক্তি উৎপন্ন হয়)।

এই ফিউশন প্রক্রিয়াই সূর্যের প্রাণ এবং হাইড্রোজেন হিলিয়াম সূর্যের জ্বালানী। তাই এই প্রক্রিয়ায় কোনো অক্সিজেনের প্রয়োজন নেই। আর অনন্তকাল ধরে এই প্রক্রিয়া চলবেনা। সূর্যের আয়ুষ্কাল প্রায় ১০ বিলিয়ন বছর এবং বর্তমানে বয়স প্রায় সাড়ে চার বিলিয়ন বছর। তার মানে আরও প্রায় ৫ বিলিয়ন বছর পর এর জ্বালানী শেষ হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
2 টি উত্তর 463 বার দেখা হয়েছে
+1 টি ভোট
3 টি উত্তর 1,080 বার দেখা হয়েছে

10,980 টি প্রশ্ন

18,699 টি উত্তর

4,751 টি মন্তব্য

902,801 জন সদস্য

135 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 135 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Thulasianii

    140 পয়েন্ট

  2. WebNovaComVN

    120 পয়েন্ট

  3. F8betaacom

    100 পয়েন্ট

  4. ad88wales

    100 পয়েন্ট

  5. tipclub33orgvn

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ মাথা গণিত প্রাণী স্বাস্থ্য বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত মেয়ে মৃত্যু বাচ্চা বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...