চাঁদে বা মহাকাশের যেখানে বাতাস নেই, সেখানে কীভাবে একজন নভোচারী আরেকজনের সাথে কথা বলতে পারেন? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
713 বার দেখা হয়েছে
"জ্যোতির্বিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (141,860 পয়েন্ট)

1 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (141,860 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

শব্দ বাতাসহীন বা মাধ্যমহীন জায়গা দিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু দৃশ্যমান আলো বা অন্যান্য তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ (ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ) শুন্য মাধ্যমে চলাচল করতে পারে। এই রকম এক ধরণের তরঙ্গ হচ্ছে রেডিও তরঙ্গ। নভোচারিরা নিজেদের মধ্যে কথা বলার জন্য এই রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করেন। নিচের ছবিটি দেখুন। নভোচারির পেছনে ব্যাগের মত জিনিসটা থেকে একটা অ্যান্টেনা বের হয়ে আছে। ঐ অ্যান্টেনাটিই হচ্ছে রেডিও অ্যান্টেনা।

নভোচারির মুখের কথাটিকে রেডিও তরঙ্গে পরিবর্তন করার জন্য তাদের হেলমেটে আলাদা কনভার্টার থাকে। কনভার্টার শব্দকে তরঙ্গে পরিণত করে অ্যান্টেনা দিয়ে ট্রান্সমিট করে। অপর নভোচারি বা মহাকাশযান তাদের রিসিভারের অ্যান্টেনা দিয়ে সেই তরঙ্গ রিসিভ করে আবার সেটাকে শব্দে রূপান্তর করে। এভাবেই মহাকাশে তারা কথাবার্তা চালায়।

আপনার বাসায় যদি কোন রেডিও থাকে, সেটিও কিন্তু ঠিক এই প্রক্রিয়ায় কাজ করে। পার্থক্য হচ্ছে সেটি কেবল রিসিভ করতে পারে, অর্থাৎ আপনি বেতার কেন্দ্র থেকে পাঠানো শব্দগুলোই কেবল শুনতে পারবেন, ঐ রেডিও দিয়ে উল্টো পথে আপনার শব্দ বেতার কেন্দ্রে পাঠাতে পারবেন না। অর্থাৎ একমুখি যোগাযোগ। কিন্তু নভোচারীদের ক্ষেত্রে ট্রান্সমিট ও রিসিভ - দুটোই ঘটে থাকে। অর্থাৎ দুমুখি যোগাযোগ হয়, অনেকটা মোবাইল ফোনের মত।

ক্রেডিট: আদনান কাইয়ুম

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+3 টি ভোট
1 উত্তর 323 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 292 বার দেখা হয়েছে
+3 টি ভোট
1 উত্তর 13,092 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 302 বার দেখা হয়েছে

10,930 টি প্রশ্ন

18,638 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

882,403 জন সদস্য

45 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 45 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Taz_riyan

    260 পয়েন্ট

  2. xo881zacom

    100 পয়েন্ট

  3. bot4xio

    100 পয়েন্ট

  4. du88cafe

    100 পয়েন্ট

  5. 988kbrcom

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম চাঁদ বৃষ্টি কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা আগুন লাল মনোবিজ্ঞান গাছ খাবার সাদা মস্তিষ্ক শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো পা উদ্ভিদ মন কি বিস্তারিত পাখি গ্যাস রঙ সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ ভাইরাস আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত বিড়াল গতি কান্না আম
...