পৃথিবীতে একেক রকম এলাকায় একেক ভাষা কীভাবে হলো? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+3 টি ভোট
1,174 বার দেখা হয়েছে
"তত্ত্ব ও গবেষণা" বিভাগে করেছেন (135,490 পয়েন্ট)

1 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (420 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

পৃথিবীতে একেক রকম এলাকায় একেক রকম ভাষা হওয়ার পেছনে মূল কারন বলা যায় বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের ভৌগোলিক অবস্থানগত বৈচিত্র্য।
ধারনা করা হয়ে থাকে যে প্রাচীনকালে হোমিনিডস অর্থাৎ মানব পূর্বপুরুষ সর্বপ্রথম কাঁদতে শুরু করেছিল এবং তার ফলেই আস্তে আস্তে মানুষ কথা বলতে শুরু করে। তবে ভাষাগত যে তারতম্য অঞ্চলভেদে লক্ষ করা যায় তার পিছনে আমরা ভৌগোলিক অবস্থানকেই মূলত দায়ী করতে পারি।
পৃথিবীতে শুরুর দিকে জনসংখ্যা ছিলো কম এবং তারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো । একেক অঞ্চলের মানুষ একেক ধরনের ধ্বনি , শব্দ, আকার, ইঙ্গিত চিহ্ন ব্যবহার করে তাদের মনের ভাব অপরের কাছে প্রকাশ করতো ।
প্রাচীন সংস্কৃত ভাষা

কিন্তু আস্তে আস্তে প্রাচীন মানুষ যখন জ্ঞান অর্জন করা শুরু করলো নিজেদের ভৌগোলিক সীমানা ছাড়িয়ে অন্যান্য দূরবর্তী স্থানে যাতায়াত  শুরু করল তখন তারা অন্য ভাষাভাষী মানুষের সংস্পর্শে আসলো এবং বুঝতে পারলো যে একেক এলাকার লোকেদের মাঝে একেক ভাষা প্রচলিত।
তবে বর্তমান পৃথিবীতে আমরা যেসকল ভাষা দেখতে পাই  সেগুলো সৃষ্টির শুরুতে হুবহু এমন ছিল না। বর্তমানে মানুষ ব্যবহার করছে এমন সব ভাষাকেই কালের বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়ে
 
আজকের এই অবস্থানে এসে পৌছেছে।  যেমন বর্তমান বাংলা ভাষার প্রাচীন উৎস হলো ইন্দো ইউরোপিয়ান ভাষা। এই ইন্দো ইউরোপিয়ান ভাষা ইন্দো ইরানিয়ান , ইন্দো আরিয়ান , পূর্বাঞ্চলীয় এবং সর্বশেষে আসাম হয়ে বর্তমান বাংলা ভাষায় রূপ নিয়েছে। 
আর স্বাভাবিকভাবেই বুঝা যায় যে যেহেতু পৃথিবীর আলাদা আলাদা অঞ্চলে বিভিন্ন এলাকার লোকজন ছড়িয়ে ছিল তাই তাদের ভাষা অলৌকিকভাবেও  একই রকম হওয়া সম্ভব না এবং এই কারনেই পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকার মানুষ বিভিন্ন ভাষায় কথা বলে থাকে। 

করেছেন (100 পয়েন্ট)
বাহ অনেক সুন্দর লিখনী
করেছেন (420 পয়েন্ট)
ধন্যবাদ !

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 580 বার দেখা হয়েছে

10,899 টি প্রশ্ন

18,598 টি উত্তর

4,746 টি মন্তব্য

869,887 জন সদস্য

24 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 24 জন গেস্ট অনলাইনে

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা কী পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা লাল মনোবিজ্ঞান আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...