এখানে কয়েকটি বিষয় থাকতে পারে যেমন : মেটা বলিজম, শরীরের গঠন, রক্ত সঞ্চালন।
মানবদেহে বিপাকক্রিয়া (metabolism) হলো সেই প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে খাদ্য ভেঙে শক্তি থাত তাপ উৎপন্ন হয়। যাদের বিপাকক্রিয়ার হার বেশি, তাদের দেহে তাপ উৎপাদন বেশি হয় এবং তারা তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা কম অনুভব করে। বিপরীতভাবে, যাদের বিপাকক্রিয়ার হার কম, তাদের দেহে তাপ উৎপাদন কম হওয়ায় তারা সহজেই ঠান্ডা অনুভব করে।
মানবদেহের চর্বি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এটি দেহের ভেতরের তাপ বাইরে যেতে বাধা দেয়। অর্থাৎ তাপ ধরে রাখে। ফলে যাদের দেহে চর্বির পরিমাণ বেশি, তারা তুলনামূলক কম ঠান্ডা অনুভব করে। অন্যদিকে, যাদের দেহে চর্বির পরিমাণ কম বা যারা অপেক্ষাকৃত পাতলা, তাদের দেহ থেকে তাপ দ্রুত বের হয়ে যায়, ফলে তারা সহজেই ঠান্ডা অনুভব করে।
আবার,
রক্ত সঞ্চালন দেহের তাপ বণ্টনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হৃদপিণ্ড থেকে উষ্ণ রক্ত সারা শরীরে প্রবাহিত হয়ে তাপ ছড়িয়ে দেয়। যাদের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক ও কার্যকর, তাদের দেহের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে সমান থাকে। কিন্তু রক্ত সঞ্চালন কম হলে শরীরের প্রান্তীয় অংশ (যেমন হাত ও পা) পর্যাপ্ত উষ্ণতা পায় না, ফলে সেই অংশগুলো দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায় এবং ব্যক্তি বেশি ঠান্ডা অনুভব করে।