নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাহ্যিক আত্মবিশ্বাসের আড়ালে থাকে এক ভঙ্গুর আত্মসম্মান যা সামান্যতম সমালোচনাতেই চরমভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠ মনে করেন এবং অন্যদের তুচ্ছজ্ঞান করেন। যেকোনো ভুল বা দুর্বলতা স্বীকার করা তাদের এই ‘শ্রেষ্ঠত্বের মুখোশ’ ভেঙে দিতে পারে বলে তারা এটি স্বীকার করতে চান না। মূলত তাদের গভীর হীনম্মন্যতা, লজ্জা এবং ব্যর্থ হিসেবে প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয় থেকেই তারা এই সত্য এড়িয়ে চলেন।নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার কেন হয় তা সঠিকভাবে জানা না গেলেও মনে করা হয় এটি মূলত পরিবেশ, জেনেটিক্স এবং নিউরোবায়োলজি এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয়ে হতে পারে।কিশোর বয়স বা প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় এই সমস্যাটি সাধারণত শুরু হয়। ছোট শিশুদের মধ্যে কিছু নার্সিসিস্টিক বৈশিষ্ট্য দেখা যেতে পারে, যা তাদের বয়সের জন্য স্বাভাবিক এবং এর অর্থ এই নয় যে বড় হয়ে তারা নার্সিসিস্ট হবে। নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারের প্রধান চিকিৎসা হলো Talk therapy বা Psychotherapy। এছাড়া Cognitive behavioral therapy এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতে পারে।ত
বে সমস্যা হলো, নার্সিসিস্টরা নিজে থেকে চিকিৎসার জন্য খুব কমই আসেন। তারা সাধারণত বিষণ্নতা, অ্যালকোহল বা ড্রাগের অপব্যবহার অথবা অন্য কোনো মানসিক সমস্যার চিকিৎসা নিতে গিয়ে যখন বুঝতে পারেন তাদের ব্যক্তিত্বে সমস্যা আছে, তখনই চিকিৎসা শুরু হয়। সঠিক চিকিৎসা এই ব্যক্তিদের জীবনকে আরও ফলপ্রসূ এবং আনন্দদায়ক করে তুলতে সাহায্য করতে পারে।