শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মোমিটার শুধুমাত্র বগলে অথবা জিহ্বার নিচেই কেন রাখা হয়? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+16 টি ভোট
1,900 বার দেখা হয়েছে
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (71,360 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন

2 উত্তর

+5 টি ভোট
করেছেন (71,360 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
আমাদের দেহে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট। আমাদের দেহের এই স্বাভাবিক তাপমাত্রার সীমা বেশ বড়। জ্বরে আক্রান্ত মানুষের দেহের বিভিন্ন স্থানে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত নির্দিষ্ট তাপমাত্রা সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গেলে জ্বরবলে গন্য করা হয়।

নির্দিষ্ট স্থানে তাপমাত্রার সূচক গুলো হলোঃ

১)মুখের তাপমাত্রা ৩৭.৭0 সে. বা তার বেশি হলে জ্বর বলে গন্য করা হয়।

২)বাহু বা কানের তাপমাত্রা ৩৭.২0 সে. বা তার বেশি হলে জ্বর বলে গন্য করা হয়।

২) পায়ুপথের তাপমাত্রা ৩৭.৫-৩৮.৩0 সে. বা তার বেশি হলে জ্বর বলে গন্য করা হয়।
 

এজন্যই মুখে এবং বগলের নিচে থার্মোমিটার রাখা হয় জ্বর মাপার জন্য।
0 টি ভোট
করেছেন (43,950 পয়েন্ট)
শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে তাকে আমরা ‘জ্বর’ বলি। কখনোই জ্বর হয়নি—এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তবে জ্বর নিজে কোনো রোগ নয়, এটি রোগের উপসর্গ। শঙ্কার কথা হলো, জ্বরের কারণ সময়মতো উদ্ধার করে চিকিৎসা না নিলে, তা প্রাণঘাতীও হতে পারে।

 

তাই তো মানুষের চেষ্টা ছিল শরীরের তাপমাত্রার নজরদারি করা। সাধারণত হাতের বাইরের পার্শ্ব দিয়ে জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে হাত দিলেই আন্দাজ করা যায় শরীরের তাপমাত্রা। যদি বেশি বা কম হয়, তা কত বেশি বা কম, তা নির্ধারণের আকাঙ্ক্ষা থেকেই পরিমাপকযন্ত্র থার্মোমিটারের ব্যবহার শুরু হয়।

 

হরেক রকম থার্মোমিটার আছে নানাবিধ ব্যবহারের জন্যে। মানুষের শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্যে যে থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়, সেটা ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার। ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারও এখন অনেক ধরনের। এর মধ্যে পারদ থার্মোমিটার পুরোনো ও জনপ্রিয়। এটি সহজেই পাওয়া যায় এবং দামেও সস্তা। এখন পারদভিত্তিক কিছু ডিজিটাল থার্মোমিটারও পাওয়া যায়। যা দিয়ে সহজেই শরীরের তাপমাত্রা মাপা যায়।

 

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে আরও একধরনের থার্মোমিটার জনপ্রিয়তা পেয়েছে, তা হলো ইনফ্রারেড থার্মোমিটার। যা দিয়ে শরীর স্পর্শ না করেই শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করা সম্ভব। তবে এ ধরনের থার্মোমিটার সহজলভ্য নয়।

 

সাধারণভাবে বললে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশি তাপমাত্রাকে জ্বর বলা হয়। মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হচ্ছে ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা মুখের তাপমাত্রাকে বোঝায়। এর বেশি হলেই আমরা জ্বরে আক্রান্ত বলে থাকি। সকালবেলা সাধারণত একটু তাপমাত্রা বেশি থাকে এবং কাজ করলে বা বিকেল বেলা তাপমাত্রা একটু বাড়তি থাকতে পারে। পায়ুপথের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকে। যাকে আমরা শরীরের আসল তাপমাত্রা ধরে থাকি।

 

তাপের মাত্রা পরিমাপ

 

সাধারণত মুখ ও বগলে তাপমাত্রা মাপা হয়। এছাডা পায়ুপথে, কানেও তাপমাত্রা মাপা যায়। মুখে ও বগলে তাপমাত্রা পরিবেশ–পরিস্থিতিভেদে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা দিতে পারে। সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন ঠান্ডা বা গরম কিছু খেলে মুখের তাপমাত্রা ভিন্ন আসতে পারে।

 

থার্মোমিটারের ব্যবহার

 

* প্রথমে স্পিরিট বা সাবানপানি দিয়ে থার্মোমিটারটি ধুয়ে শুকনো পরিষ্কার কাপড়ে মুছে নিন। সাধারণ থার্মোমিটারের ক্ষেত্রে পারদের অবস্থান দেখতে হবে। জ্বর মাপার আগে থার্মোমিটারের শেষ প্রান্ত ধরে জোরে ঝাঁকিয়ে পারদ নিচে নামিয়ে আনতে হবে। কাজটি সাবধানে করতে হবে, তা না–হলে কোনো কিছুর সঙ্গে লেগে কাচের থার্মোমিটার ভেঙে যেতে পারে। আর ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে জ্বর মাপার আগে সুইচ চেপে চালু করে নিতে হবে।

 

* আমরা সাধারণত থার্মোমিটার এক মিনিট জিহ্বা বা বগলের নিচে রেখে তাপমাত্রা নির্ণয় করি। ডিজিটাল থার্মোমিটারে শব্দ করলে বুঝতে হবে যে তাপমাত্রা মাপা শেষ। আর ইনফ্রারেড থার্মোমিটার সাধারণত কপালের সামনে ধরলেই তাপমাত্রা নির্দেশ করে। তবে এ ক্ষেত্রে তাপমাত্রা একটু কম–বেশি দেখাতে পারে।

 

* বড়দের ক্ষেত্রে জিহ্বার নিচে থার্মোমিটার দিয়ে ঠোঁট দিয়ে তাপমাত্রা মাপা হয়।

 

* ব্যবহারের আগে–পরে অবশ্যই থার্মোমিটার পরিষ্কার রাখুন। ব্যবহারের পর পরিষ্কার করে নির্দিষ্ট স্থানে থার্মোমিটার রেখে দিন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+9 টি ভোট
1 উত্তর 598 বার দেখা হয়েছে
+14 টি ভোট
3 টি উত্তর 1,899 বার দেখা হয়েছে
+8 টি ভোট
3 টি উত্তর 10,007 বার দেখা হয়েছে

10,924 টি প্রশ্ন

18,625 টি উত্তর

4,748 টি মন্তব্য

876,252 জন সদস্য

59 জন অনলাইনে রয়েছে
1 জন সদস্য এবং 58 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Mynul

    660 পয়েন্ট

  2. Aviator Game

    180 পয়েন্ট

  3. bobbyanderson0

    140 পয়েন্ট

  4. Curiouschemist456

    120 পয়েন্ট

  5. Fayahal Bin Kadry

    120 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত মহাকাশ প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল চাঁদ ডিম বৃষ্টি কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা আগুন লাল মনোবিজ্ঞান গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো পা উদ্ভিদ মন কি বিস্তারিত গ্যাস রঙ পাখি সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ ভাইরাস আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত বিড়াল গতি কান্না আম
...