জ্বরের সময় শরীরের তাপমাত্রা কেন বৃদ্ধি পায়? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+9 টি ভোট
585 বার দেখা হয়েছে
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (54,300 পয়েন্ট)

1 উত্তর

+2 টি ভোট
করেছেন (54,300 পয়েন্ট)
সাধারণত যখন কোনও প্যাথোজেন (যেমন, রাইনো ভাইরাস) শরীরের দখল নিতে চায় তখন আমাদের জ্বর আসে। শরীরের তাপমাত্রা যখন ৩৬-৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস কিংবা ৯৮-১০০ ডিগ্রি ফারেনহিটের বেশি হয়ে যায় তখন তাকে জ্বর আসা বলে। এখন এমন মনে হতে পারে যে প্যাথোজেনের কারণেই জ্বর আসে। ব্যাপারটা কিন্তু ঠিক উল্টো, অর্থাৎ প্যাথোজেন নয় শরীরের সুরক্ষা ব্যবস্থা বা ইমিউনিটি সিস্টেমের জন্যই জ্বর হয়। আসলে যখন প্যাথোজেন শরীরকে সংক্রমিত করতে সচেষ্ট হয় তখন প্রতিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় আমাদের শরীরের সুরক্ষা তন্ত্র।

দুই ধরনের সুরক্ষার ব্যবস্থা আছে-

১) ইননেট ইমিউনিটি- জন্ম থেকে যে সুরক্ষা ব্যবস্থা আমাদের শরীরে আছে।

২) অ্যাকুয়ার্ড ইমিউনিটি- অধিত জীবন ধরে যে সুরক্ষা অর্জন করা হয়েছে।

আমাদের শরীরে যে কোনও জীবানুর আক্রমণ ঘটলে ইননেট ইমিউনিটি মূলত চার রকমের প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এরা হল-

অ্যানাটোমিক্যাল বেরিয়ার বা শারীরসংস্থানগত বাধা- আমাদের ত্বক ও মিউকাস মেমব্রেন এই বাধা দান করে।

ফিজিওলজিক্যাল বেরিয়ার বা শারীরিক বাধা- শারীরিক কিছু শর্তাবলী এর সঙ্গে জড়িত।

ফ্যাগোসাইটিক বেরিয়ার- এই বাধা আক্রমণকারী জীবাণুর ফ্যাগোসাইটোসিস ঘটায়।

ইনফ্ল্যামেটরি বেরিয়ার বা প্রদাহজনিত বাধা- চূড়ান্ত অবস্থায় এই বাধার কারমে সংক্রমিত বা আহত অংশে প্রদাহের সৃষ্টি হয়।

শারীরিক বাধার কারণে জ্বর বা পাইরেক্সিয়া ঘটে। এই বাধা শরীরের উত্তাপ, pH এবং শারীরিক ক্ষরণ ঘটিয়ে আক্রমণকারী প্যাথোজেনের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করে। কারণ উচ্চ তাপমাত্রায় তারা বংশবিস্তার করতে পারে না। মনে রাখতে হবে, যখনই কোনও প্যাথোজেন আমাদেরকে আক্রমণ করে আমাদের শরীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখায়। আমাদের রক্তে পাইরোজেন নামে থাকা রাসায়নিকটি শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির নেপথ্য কারিগর। এরা শরীরের তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রক হাইপোথ্যালামাসকে উদ্দীপ্ত করে। সুতরাং, জ্বর আসলে ক্ষতিকারক জীবাণু রোধে আমাদের শরীরের সুরক্ষা ব্যবস্থার একটি কৌশল।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+14 টি ভোট
3 টি উত্তর 1,858 বার দেখা হয়েছে
+9 টি ভোট
2 টি উত্তর 1,176 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 561 বার দেখা হয়েছে

10,914 টি প্রশ্ন

18,613 টি উত্তর

4,747 টি মন্তব্য

873,117 জন সদস্য

127 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 127 জন গেস্ট অনলাইনে

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা আগুন লাল মনোবিজ্ঞান গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...