মহাকাশে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শুন্য নয় তাহলে সেখানে মহাকাশচারীরা ওজনহীন কেন? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+2 টি ভোট
2,639 বার দেখা হয়েছে
"পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (140 পয়েন্ট)

3 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (9,000 পয়েন্ট)
মহাশূন্যচারীরা মহাশূন্যযানে করে পৃথিবীকে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় বৃত্তাকার কক্ষ পথে প্রদক্ষিণ করে। এই বৃত্তাকার গতির জন্য মহাশুন্যযানের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে ঐ উচ্চতায় g এর মানের সমান মানের আরো একটি ত্বরণ সৃষ্টি হয়। এই অবস্থায় g-g=0 হয়ে যায়। ফলে মহাশূন্যচারীরা মহাশুন্যযানের উপর কোন বল প্রয়োগ করেন না। ফলে নিজেকে ওজনহীন মনে করেন।
0 টি ভোট
করেছেন (5,210 পয়েন্ট)
করেছেন (7,560 পয়েন্ট)
এখানে আপনার উত্তর কোথায়?
করেছেন (9,390 পয়েন্ট)
এটা কোণ ধরনের উত্তর ভাইয়া?
0 টি ভোট
করেছেন (9,390 পয়েন্ট)
মহাশূন্যচারীরা মহাশূন্যযানে করে পৃথিবীকে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় বৃত্তাকার কক্ষ পথে প্রদক্ষিণ করে। এই বৃত্তাকার গতির জন্য মহাশুন্যযানের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে ঐ উচ্চতায় g এর মানের সমান মানের আরো একটি ত্বরণ সৃষ্টি হয়। এই অবস্থায় g-g=0 হয়ে যায়। ফলে মহাশূন্যচারীরা মহাশুন্যযানের উপর কোন বল প্রয়োগ করেন না। ফলে নিজেকে ওজনহীন মনে করেন।

আসুন আর একটু খোলাসা করি।

মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে যদি কোন বস্তু অন্য কোন বৃহত্তর বস্তুকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে তবে ঐ বস্তুটির দুই প্রকার গতি হতে পারে। যেমন নিজ অক্ষে পাক খাওয়া (লাটিমের মত) আর নিজ কক্ষপথের সম্মুখে গতি।

কিন্তু এর সাথে অবশ্যই দুটি বলের সৃষ্টি হয়। যথা কেন্দ্রমূখী বল। এই বলের জন্য বস্তুটি ঘুরতে ঘুরতে কেন্দ্রে পতিত হতে চলে এবং ক্রমান্বয়ে ব্যাসার্ধ ছোট হতে থাকে। অপরদিকে একই সাথে আরেকটি গতি সৃষ্টি হয় তা হচ্ছে কেন্দ্রবিমুখী বল।

আপনি ছোট একটি বস্তু দুই হাত লম্বা সুতা দিয়া বাধেন।তারপর সুতার অপর প্রান্ত হাতে ধরে বস্তুটি ঝুলান, এবার পাক দিয়া হাতের চারপাশে বস্তুটি ঘোরাতে থাকেন। তাহলে একটি বৃত্ত তৈরি হবে এবং আপনার হাতে যেখানে সুতাটি বাধা, সেটা হবে কেন্দ্র। বস্তুটি অভিকর্ষের কারনে ছিটকে দূরে চলে যাওয়ার কথা কিন্তু সুতা দিয়ে আপনার হাতের সাথে বাধা থাকার কারনে কেন্দ্র, অর্থাৎ আপনার হাতের দিকে একটি টান বা বল অনুভব করে। তাই এটি বৃত্তাকার পথে ঘুরতে থাকে।এই বলটি হচ্ছে কেন্দ্রমুখী বল।

এবার হঠাৎ সুতাটি ছেড়ে দিন। দেখবেন বস্তুটি কোন এক দিকে ছিটকে যেয়ে পড়ছে। কেন্দ্র বা আপনার হাতের দিকে আসেনি। এটি কেন্দ্রের বিপরীত দিকে ছিটকে যায়। একে কেন্দ্রবিমুখী বল বলে।

যখন কেন্দ্রমুখী বল এই কেন্দ্রবিমুখী বলের সমান হয় তখন বস্তুটি কেন্দ্রে পড়েনা। নিজ কক্ষপথে চলতে থাকে। মহাকাশ স্টেশন এমনই। ফলে তা পৃথিবীর দিকে চলে আসেনা। আর এখানে যখন নভোচারী যান তখন নভোচারীও সমান বলে ঘুরতে থাকেন। ফলে নিজেই কেন্দ্রমুখী ও কেন্দ্রবিমুখী উভয় বলের প্রভাবে লব্ধি বল বরাবর সম্মুখে কক্ষপথে চলতে থাকে। এ অবস্থায় ওজন হীন লাগে কারন অন্য কোন বস্তুর আকর্ষন বল, নিজের গতির বলের সমান হওয়ায় দুটি বল কাটাকাটি হয়ে নিরপেক্ষ বা শূন্য হয়ে যায় । অর্থাৎ, g-g = 0 হয়।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

লেখকঃ সাইমুম সালেহী

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
3 টি উত্তর 4,655 বার দেখা হয়েছে
16 এপ্রিল 2021 "পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ubaeid (28,340 পয়েন্ট)
+2 টি ভোট
1 উত্তর 331 বার দেখা হয়েছে

11,018 টি প্রশ্ন

18,694 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

894,631 জন সদস্য

56 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 56 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. tk88beauty

    100 পয়েন্ট

  2. tintucaruba

    100 পয়েন্ট

  3. ceoquocansunwinvn

    100 পয়েন্ট

  4. go99vipitcom

    100 পয়েন্ট

  5. xoso66vnapp1

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...