বছরে ১২ টা মাসের প্রতিটা ৩০ দিন করে হয় নি কেন? কোনটা ৩১ কোনটা ৩০ আবার ফেব্রয়ারী ২৮ দিন( লিপইয়ার এ ২৯ দিন)করে কেন? আর এগুলোর নাম জানুয়ারী ফেব্রুয়ারী কে রেখেছে? কি অনুসারে রেখেছে? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+18 টি ভোট
5,184 বার দেখা হয়েছে
"বিবিধ" বিভাগে করেছেন (71,360 পয়েন্ট)

3 উত্তর

+4 টি ভোট
করেছেন (71,360 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

Zaima Ferdous Neha গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের আগে ছিল জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের প্রচলন। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারেরও আগে রোমানরা গ্রিক পঞ্জিকা অনুযায়ী বছর ধরত ৩০৪ দিনে। যাকে ১০ মাসে ভাগ করা হয়েছিল। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির জন্ম তখনও হয়নি। মার্চ ছিল বছরের প্রথম মাস। এক সময় রাজা পম্পিলিয়াস দেখলেন ৩০৪ দিন হিসাবে বছর করলে প্রকৃতির সঙ্গে মিলছে না। খৃস্টপূর্ব ৭০০ সালে তিনি বছরের সাথে যোগ করলেন আরও ৬০ দিন। বছরের দিন বৃদ্ধি পেল ঠিকই সঙ্গে সমস্যাও বৃদ্ধি পেল ঋতুর চেয়ে সময় এগিয়ে আছে তিন মাস। তখনই জুলিয়াস সিজার ঢেলে সাজালেন বছরকে। নতুন দু'টি মাস জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিকে নিয়ে এলেন বছরের প্রথম দিকে।

January (জানুয়ারি) : রোমে ‘জানুস' নামক এক দেবতা ছিল। রোমবাসী তাকে সূচনার দেবতা বলে মানত। যে কোন কিছু করার আগে তারা এ দেবতার নাম স্মরণ করত। তাই বছরের প্রথম নামটিও তার নামে রাখা হয়েছে।

February (ফেব্রুয়ারি) : রোমান দেবতা ‘ফেব্রুস'-এর নাম অনুসারে ফেব্রুয়ারি মাসের নামকরণ করা হয়েছে।

March (মার্চ) : রোমান যুদ্ধ-দেবতা ‘মরিস' এর নামানুসারে তারা মার্চ মাসের নামকরণ করেন।

April (এপ্রিল) : বসন্তের দ্বার খুলে দেয়াই এপ্রিলের কাজ। তাই কেউ কেউ ধারণা করেন ল্যাটিন শব্দ ‘এপিরিবি' (যার অর্থ খুলে দেয়া) হতে এপ্রিল এসেছে।

May (মে) : রোমানদের আলোকে দেবী ‘মেইয়ার'-এর নামানুসারে মাসটির নাম রাখা হয় মে।

June (জুন): রোমানদের নারী, চাঁদ ও শিকারের দেবী ছিলেন ‘জুনো'। তার নামেই জুনের সৃষ্টি।

July (জুলাই) : জুলিয়াস সিজারের নামানুসারে জুলাই মাসের নামকরণ। মজার ব্যাপার হচ্ছে বছরের প্রথমে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিকে স্থান দিয়ে তিনি নিজেই নিজেকে দূরে সরিয়ে দেন।

August (আগস্ট) : জুলিয়াস সিজার বছরকে ঢেলে সাজানোর পর আগস্ট মাসটি তার নিজের নামে রাখার জন্য সিনেটকে নির্দেশ দেন। সেই থেকে শুরু হয় আগস্ট মাসের পথচলা।

September (সেপ্টেম্বর) : সেপ্টেম্বর শব্দের শাব্দিক অর্থ সপ্তম মাস। কিন্তু সিজার বর্ষ পরিবর্তনের পর তা এসে দাঁড়ায় নবম মাসে। তারপর এটা কেউ পরিবর্তন করেনি।

October (অক্টোবর) : ‘অক্টোবরের' শাব্দিক অর্থ বছরের অষ্টম মাস। সেই অষ্টম মাস আমাদের ক্যালেন্ডারের এখন স্থান পেয়েছে দশম মাসে।

November (নবেম্বর) : ‘নভেম' শব্দের অর্থ নয়। সেই অর্থানুযায়ী তখন নবেম্বর ছিল নবম মাস। জুলিয়াস সিজারের কারণে আজ নবেম্বরের স্থান এগারতে।

December (ডিসেম্বর) : ল্যাটিন শব্দ ‘ডিসেম' অর্থ দশম। সিজারের বর্ষ পরিবর্তনের আগে অর্থানুযায়ী এটি ছিল দশম মাস। কিন্তু আজ আমাদের কাছে এ মাসের অবস্থান ক্যালেন্ডারের শেষ প্রান্তে।

+3 টি ভোট
করেছেন (71,360 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

Zaima Ferdous Nehaআমরা বর্তমানে ৩৬৫ দিনের যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করি তার নাম গ্রেগরি ক্যালেন্ডার। এর বহু বছর আগে গ্রীক যুগে ব্যবহার করা হতো জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে মোট দিন ছিল ৩০৪ দিন, যাকে মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব করা হতো। কিন্তু ৩০৪ দিনের ক্যালেন্ডারে ঋতুর হিসাব রাখা ছিল মুশকিল। তাই গ্রীক রাজা পম্পিলিয়াস ঋতুর হিসাব ঠিক রাখার জন্য আরও ৬১ দিন বাড়িয়ে ৩৬৫ দিনের বছর করেন, বছরের শুরুতে যোগ করা হয় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি নামক ২টি নতুন মাস। জানুয়ারি মাসে ছিল ৩১ দিন, আর ফেব্রুয়ারিতে ৩০ দিন।

কিন্তু এরপরই শুরু হয় বিড়ম্বনা। রোমের রাজা “জুলিয়াস” ক্যালেন্ডারে নিজেকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “কুইন্টিলিস” নামক মাসের নাম পরিবর্তন করে রাখেন “জুলিয়াস”; যা পরবর্তীতে হয় “জুলাই”। এমনকি ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন নিয়ে জুলাই মাসকে ৩১ দিনের করে দেন জুলিয়াস। একইভাবে জুলিয়ানের ভাইয়ের ছেলে “আগাস্টাস” সম্রাট হওয়ার পর নিজের নামকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “আগস্ট” মাসের নামকরণ করেন এবং ফেব্রুয়ারি থেকে ১ দিন দিয়ে আগস্টকেও ৩১ দিনের করে দেন। এভাবেই জুলাই ও আগস্ট হয়ে যায় ৩১ দিনের আর ফেব্রুয়ারি হয়ে যায় ২৮ দিনের।

0 টি ভোট
করেছেন (180 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
এই যে বলা হয় যে ইংরেজি বর্ষপঞ্জী যীশু খ্রিষ্টের জন্মের বছর থেকে গণনা করা হয় ৷ এখানে দুটো ভুল জিনিস আছে ৷ ইংরেজি বর্ষপঞ্জীর আসল নাম গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার ৷ এর সাথে ইংরেজি বা যীশু খ্রিষ্টের কোনো সম্পর্ক নেই ৷ তাহলে গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডারের ইতিহাস জেনে নেওয়া যাক ৷

শুরু প্রাগৈতিহাসিক রোমান চন্দ্রপঞ্জী (Lunar calendar) দিয়ে ৷ সপ্তম শতাব্দীতে আজকের হিজরি বর্ষপঞ্জীর মতো একটি চন্দ্রপঞ্জীর প্রচলন ছিল রোমান সাম্রাজ্যে, চাঁদ দেখে দিন-তারিখ ঠিক হতো ৷ ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে এই পঞ্জিকা মিলত না কেননা ঋতু পরিবর্তন চাঁদের উপর নয়, সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর আবর্তনের উপর নির্ভর করে ৷ তাই এই পঞ্জিকা ত্যাগ করা হয় ৷

রোমান রাজা রোমিউলাস এই চন্দ্রপঞ্জীর সাথে পৃথিবীর আবর্তন সামঞ্জস্য করে নতুন এক ১০ মাসের পঞ্জিকা প্রবর্তন করেন ৷ ১০ মাসের এই পঞ্জিকায় মোট দিন ছিল ৩০৪ টি ৷ শীতের সময়ে কোনো মাস ছিল না ৷  মাসগুলো হলো মার্চ (যুদ্ধ দেবতা 'মার্স' থেকে, ৩১ দিন), এপ্রিল (সৌন্দর্যের দেবী 'অ্যাফ্রোডাইট' থেকে, ৩০ দিন), মে (দেবী 'মায়া' থেকে, ৩১ দিন), জুন (দেবতা 'জুনো' থেকে, ৩০ দিন), কুইন্টিলিস ('পঞ্চম' শব্দের ল্যাটিন, ৩১ দিন), সেক্সটিলিস ('ষষ্ঠ' শব্দের ল্যাটিন, ৩০ দিন), সেপ্টেম্বর ('সপ্তম' শব্দের ল্যাটিন, ৩০ দিন), অক্টোবর ('অষ্টম', ৩১ দিন), নভেম্বর ('নবম', ৩০ দিন), ডিসেম্বর ('দশম', ৩০ দিন) ৷ এরপরেও ঋতুচক্রের সাথে বর্ষপঞ্জী মিলছিল না ৷

৭১৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোমান রাজা নুমা পম্পিলিয়াস এই বর্ষপঞ্জী সংস্কার করেন ৷ দেবতা 'জানুস' ও 'ফেব্রুস' এর নাম থেকে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি নামক দুই মাস পঞ্জিকায় যোগ করেন ৷ নতুন ১২ মাসের এই বর্ষপঞ্জী 'রোমান রিপাবলিকান ক্যালেন্ডার' নামে পরিচিত ৷ নুমা চাইলিছেন প্রত্যেক মাসের দিন সংখ্যা যেমন বিজোড় হবে তেমনি বছরের মোট দিনও বিজোড় হবে ৷ কিন্তু মাস জোড় সংখ্যক তাই এটা অসম্ভব ৷ আগের ৩০ দিনের মাসগুলো ২৯ দিন করলেন ৷ আটটা ২৯ দিন ও চারটা ৩১ দিনের মাস নিয়ে মোট ৩৫৬ দিন হয় ৷ তখন ২৯ দিনের  ফেব্রুয়ারি থেকে একদিন কমিয়ে ২৮ দিন করলেন ৷ তখন থেকে এখনও পর্যন্ত ফেব্রুয়ারি ২৮ দিনের মাস ৷ বছরে দিন হলো ৩৫৫ টি ৷ তবু ঋতুর সমস্যা গেল না ৷ ঋতুর মেলানোর জন্য তিনি প্রতি দু বছর অন্তর ফেব্রুয়ারির পর ২৭ দিনের একটি সম্পূরক মাস যোগ করলেন ৷ প্রতি চার বছরের চক্রে দ্বিতীয় বছরে ফেব্রুয়ারিতে দিন কমে হবে ২৩ টি এবং ২৭ দিনের সম্পূরক মাসসহ মোট দিন হবে ৩৭৭ টি এবং চতুর্থ বছরে ফেব্রুয়ারি হবে ২৪ দিনের ও ২৭ দিনের সম্পূরক মাসসহ মোট ৩৭৮ দিনে বছর হবে ৷ এটা প্রথম অধিবর্ষ বা leap year ব্যবস্থা ৷

৪৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে জুলিয়াস সিজার তৎকালীন রোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্গত মিশর ভ্রমণ করে রোমে ফেরেন ৷ ফিরে বর্ষপঞ্জতে গণ্ডগোল দেখতে পেলেন ৷ নির্দিষ্ট ২৭ দিনের সম্পূরক মাসেও যখন ঋতুচক্র মিলছিল না তখন পণ্ডিতদের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয় যে বছর শেষে তারা গণনা করে বলবে যে কত দিনের সম্পূরক মাস দিতে হবে ৷ পণ্ডিতগণ ইচ্ছামতো দিন সংখ্যা নির্ধারণ করায় বর্ষপঞ্জী ঋতুচক্র থেকে অনেক পিছিয়ে যায় ৷ জুলিয়াস সিজার বর্ষপঞ্জীতে ৯০ দিন যোগ করে দিলেন, বছর হলো ৪৪৫ দিনের ৷ এজন্য ৪৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দকে বিভ্রান্তির বছর বলে ৷

জুলিয়াস সিজার মিশরের ৩৬৫ দিনের সৌরপঞ্জী দেখে প্রভাবিত হন ৷ তাই ৪৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের পর পৃথিবীর আবর্তন কাল ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা ধরে নতুন সৌরপঞ্জী প্রবর্তন করলেন ৷ জানুয়ারি, মার্চ, মে, কু়ইন্টিলিস, হেক্সটিলিস, অক্টোবর ও ডিসেম্বর হলো ৩১ দিনের ৷ এপ্রিল, জুন, সেপ্টেম্বর, নভেম্বর হলো ৩০ দিনের ৷ ২৮ দিনের ফেব্রুয়ারি ২৮ দিনই থাকলো ৷ জুলিয়াস সিজার দেখলেন বর্ষপঞ্জীতে ৩৬৫ দিন মিললেও ৬ ঘণ্টার ঘাটতি থাকে যা চার বছর পর গিয়ে বর্ষপঞ্জীকে ৬×৪ বা ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন পিছিয়ে দেবে ৷ তাই চার বছর অন্তর ফেব্রুয়ারিতে ১ দিন যোগ করে প্রথম অধিবর্ষ ব্যবস্থা চালু করলেন ৷ জুলিয়াস সিজার কর্তৃক প্রবর্তিত এই পঞ্জিকা জুলিয়ান পঞ্জিকা নামে পরিচিত ৷ ৪৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে জুলিয়াস সিজারের নাম থেকে কুইন্টিলিসের নাম হয় জুলাই এবং ৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে তাঁর ছেলে অগাস্টাস সিজারের নাম থেকে সেক্সটিলিসের নাম হয় অগাস্ট (বাংলা আগস্ট) ৷

সব ঠিক মতো চলছিল ৷ কিন্তু ১৫৮২ সালে এসে দেখা গেল জুলিয়ান পঞ্জিকায় ঋতুচক্র ও ধর্মীয় উৎসবের দিনগুলো গত ১৬০০ বছরে ১০ দিন পিছিয়ে গেছে ৷ কারণ পৃথিবীর আবর্তন কাল ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা ৯ মিনিট ১০ সেকেন্ড ৷ ৯ মিনিটের ঘাটতি থেকে গেছিল ৷ তাই প্রতি বছরে ৯ মিনিট পেছালে ১৬০০ বছরে ১৪৪০০ মিনিট বা ১০ দিন পিছিয়ে যায় ৷ তৎকালীন ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগোরি বর্ষপঞ্জী সংশোধনের কাজে লাগলেন ৷ তিনি দেখলেন এখন বর্ষপঞ্জীকে টেনে ১০ দিন এগিয়ে দিলে ১৬০০ বছর পর আবার ১০ দিন পিছিয়ে যাবে ৷ আবার দেখলেন যে বছরগুলো ১০০ দিয়ে বিভাজ্য কিন্তু ৪০০ দিয়ে বিভাজ্য নয় সেগুলো থেকে অধিবর্ষ বাদ দিয়ে যেগুলো ৪০০ ও ১০০ উভয় সংখ্যা দিয়ে বিভাজ্য সেগুলোকে অধিবর্ষ রাখলে ৯ মিনিটের ঘাটতি পূরণ হয় ৷ তিনি সেটাই রাখলেন ৷ অর্থাৎ ২০০০ সাল অধিবর্ষ ছিল কিন্তু ২১০০ সাল অধিবর্ষ হবে না ৷

এরপর ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগোরি ১৫৮২ সালের ৪ অক্টোবর ঘোষণা দিলেন পরের দিন হবে ১৫ অক্টোবর ৷ ১০ দিন পিছিয়ে যাওয়া বর্ষপঞ্জীকে ১০ দিন এগিয়ে দেন ৷ এই নতুন বর্ষপঞ্জকে ত্রয়োদশ পোপ গ্রেগোরির নাম অনুসারে গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার বলে যা আমরা আজ ব্যবহার করি ৷ ১৭৫২ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য জুলিয়ান বর্ষপঞ্জী ত্যাগ করে গ্রেগোরিয়ান বর্ষপঞ্জী অধিগ্রহণ করে ৷ ১৭৫৬ সালে ভারত উপমহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সূচনা হলে ভারত উপমহাদেশে এর প্রচলন ঘটে যা আজও বিদ্যমান ৷

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+2 টি ভোট
1 উত্তর 414 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 368 বার দেখা হয়েছে
+1 টি ভোট
4 টি উত্তর 1,316 বার দেখা হয়েছে
06 জানুয়ারি 2022 "তত্ত্ব ও গবেষণা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Subrata Saha (15,210 পয়েন্ট)
+1 টি ভোট
4 টি উত্তর 502 বার দেখা হয়েছে
11 অক্টোবর 2021 "রসায়ন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ainul Nishad 1 (260 পয়েন্ট)

10,897 টি প্রশ্ন

18,595 টি উত্তর

4,746 টি মন্তব্য

867,751 জন সদস্য

20 জন অনলাইনে রয়েছে
3 জন সদস্য এবং 17 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Muhammad Al-Amin

    540 পয়েন্ট

  2. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

    420 পয়েন্ট

  3. Nhacaiuytin07bgcom

    100 পয়েন্ট

  4. lk68blog

    100 পয়েন্ট

  5. sunwin20to

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা কী পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা লাল মনোবিজ্ঞান আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...