যে প্রথম ঘড়ি বানিয়েছিল সে কি করে জানতে পারলো তখন কটা বাজছিলো? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+7 টি ভোট
8,556 বার দেখা হয়েছে
"চিন্তা ও দক্ষতা" বিভাগে করেছেন (123,410 পয়েন্ট)

2 উত্তর

+2 টি ভোট
করেছেন (123,410 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
Nishat Tasnim-

ঘড়ি আবিষ্কার এর আগে সূর্যের অবস্থান দেখে সময় নির্ধারণ করতো। আর যিনি ঘড়ি আবিষ্কার করেছেন উনি ঠিক মাথার উপর সূর্যের অবস্থান দেখেই সেই সময়টাকে দুপুর ১২ টা ধরে হিসাব করেছেন। সূর্যঘড়ির মাধ্যমে মূলত এই কাজটি করা হয়।
+3 টি ভোট
করেছেন (17,760 পয়েন্ট)
এক্ষেত্রে দুপুর ১২ টাকে আমরা দিনের মধ্যভাগ ধরি, এম্নিতেও সে সময়টা কিন্তু দিনের মধ্যভাগ, কারণ তখন সূর্য আমাদের মাথার উপরে থাকে। কেন এক্স্যাক্ট ২৪ ঘন্টা হিসেব করা হয় তা সঠিক জানা যায়না, তবে হাজার বছর ধরেই এমনটা চলে আসছে। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার মানুষেরা তাদের সূর্যঘড়িতে দিনকে ১২ ভাগ করে নিয়েছিলো, ১২ ভাগ করার কারণটা অনেকের মতে বছরের ১২ টি মাস, আবার অনেকের মতে রাশি চক্রের ১২ টি নক্ষত্র।

একই ভাবে রাতকেও তারা ১২ ভাগ করে নিয়েছিলেন, সেটাও নক্ষত্রের হিসেবেই। তারা সে সময় ডেকান্স নামে ৩৬টি নক্ষত্রপুঞ্জকে হিসেবের জন্য ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে ১৮টি রাতে দেখা যেত। এদের ৩ করে ৬টিকে দেখা যেত সন্ধ্যা এবং ভোরের আলো-আঁধারির সময়ে, আর বাকি ১২টি দেখা যেত গাঢ় অন্ধকারের সময়ে। এই ১২টি নক্ষত্রের উদয়ের সময়ের মাধ্যমেই মিসরীয়রা রাতকে ১২টি ভাগে ভাগ করেছিলো। তাদের সমাধিক্ষেত্রের কফিনের গায়ের পাঠোদ্ধার করে প্রত্নতত্ত্ববিদরা এই তথ্যগুলো আবিষ্কার করেছেন।

এছাড়াও প্রাচীন চীনা সভ্যতাতেও দিন ও রাতকে ১২–১২ করে ২৪ ভাগ করার নিদর্শন পাওয়া গেছে, তবে তাদের দিন ও রাতকে ১০০ ভাগ করে হিসেব করারও আরেকটি নিয়ম প্রচলিত ছিলো।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
1 উত্তর 1,011 বার দেখা হয়েছে
+5 টি ভোট
7 টি উত্তর 18,792 বার দেখা হয়েছে

10,975 টি প্রশ্ন

18,684 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

887,384 জন সদস্য

19 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 19 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. MD MYMO ZAMAN SHIHAB

    2360 পয়েন্ট

  2. Rayan Alam

    180 পয়েন্ট

  3. abrarwasif

    140 পয়েন্ট

  4. buyadd

    120 পয়েন্ট

  5. misbah09

    120 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি সমস্যা মন কি বিস্তারিত রঙ মেয়ে মৃত্যু বাচ্চা বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত গতি কান্না আম
...