এই পাতাটিতে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ বিশেষ করে অ্যান্থোসায়ানিন (Anthocyanin) নামক রঞ্জক কণা উচ্চ মাত্রায় উপস্থিত থাকে, যা কচি পাতাটিকে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) থেকে রক্ষা করে থাকে। পাতাটি যখন গাছের সাথে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে, তখন এই রঙিন উপাদানগুলো পাতার কোষের ভেতরে (Vacuoles) নিরাপদে জমা থাকে। ফলে বাইরে থেকে পাতাটিকে কেবল সবুজ বা সামান্য তামাটে দেখায়। কিন্তু যখন পাতাটিকে হাতে জোরে ঘষা হয়, তখন তার ভেতরের কোষ প্রাচীরগুলো ভেঙে যায় এবং কোষের তরল পদার্থ গুলো বাইরে চলে আসে। কোষের এই তরল পদার্থ গুলো বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে রাসায়নিক বিক্রিয়া (Oxidation) ঘটায় এবং অ্যান্থোসায়ানিনসহ পাতায় থাকা অন্যান্য ট্যানিন (Tannins) জাতীয় উপাদানগুলো মুক্ত হয়ে তরল রক্তাভ বা লাল রঙে রূপ নেয়। এটিই মূলত হাতে এই গাঢ় লাল দাগের সৃষ্টি করে।
সোর্সঃ
https://www.researchgate.net/publication/340304599_Identification_of_active_compounds_and_antioxidant_activity_of_teak_Tectona_grandis_leaves