গুগল কোনো স্থানের Air Quality নির্ধারন করার জন্য ‘ফিউশন অ্যাপ্রোচ’ নামক অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে। এই পদ্ধতিতে গুগল অনেকগুলো নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য ব্যবহার করে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি মনিটরিং স্টেশন,স্যাটেলাইট ডেটা,বাণিজ্যিক সেন্সর নেটওয়ার্ক, গ্লোবাল ডিসপারশন মডেল, ট্র্যাফিক ডেটা এবং আবহাওয়ার তথ্য।
গুগলের এই মডেলটি বাতাসের মান (Air Quality Index) নির্ধারণ করে প্রধানত ৬টি বায়ুদূষক এর পরিমাণের উপর নির্ভর করে। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা (PM2.5, PM10), ওজোন (O3), নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2) এবং কার্বন মনোক্সাইড (CO)। এছাড়াও অতিরিক্ত নাইট্রিক অক্সাইড (NO), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) এবং কিছু ক্ষেত্রে নন-মিথেন হাইড্রোকার্বন (NMHC) এর তথ্যও হিসাব করা হয়। এই হিসাব ৫০০ মিটার × ৫০০ মিটার গ্রিডের ভিত্তিতে করা হয়। যদি সরকারি বা বিশ্বস্ত কোনো উৎস থেকে ডেটা পেতে দেরি হয়, তখন এটি ‘Nowcasting Algorithm’ ব্যবহার করে বর্তমান সময়ের Air Quality নির্ধারন করে।