বজ্রপাতের সময় শব্দ হয় কেন? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+2 টি ভোট
1,768 বার দেখা হয়েছে
"পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (1,750 পয়েন্ট)

3 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (7,800 পয়েন্ট)
বজ্রপাতের সময় শব্দ হয় কারণ বজ্রপাতের ফলে বাতাসের তাপমাত্রা এবং চাপ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এটি বাতাসের একটি বিস্ফোরক সম্প্রসারণ ঘটায়, যা শব্দ তরঙ্গ তৈরি করে।

বজ্রপাতের সময়, মেঘের মধ্যে বা মেঘ থেকে ভূমিতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। এই বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে বাতাসের একটি সরু চ্যানেল উত্তপ্ত হয়ে যায়। এই চ্যানেলের তাপমাত্রা প্রায় 27,000 ডিগ্রি সেলসিয়াস (48,600 ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এই তাপমাত্রায়, বাতাস দ্রুত প্রসারিত হয়। বাতাসের এই প্রসারণটি বাতাসের চাপকে দ্রুত কমিয়ে দেয়।

বাতাসের চাপ হ্রাস পেলে, বাতাস আবার সংকুচিত হয়। এই সংকোচনটিও শব্দ তরঙ্গ তৈরি করে।

বজ্রপাতের শব্দের তীব্রতা বজ্রপাতের তীব্রতার উপর নির্ভর করে। একটি শক্তিশালী বজ্রপাতের শব্দ 100 মাইল (160 কিলোমিটার) দূর থেকেও শোনা যায়।

বজ্রপাতের শব্দ সাধারণত একটি গুরুতর বিস্ফোরণের মতো শোনা যায়। এটি কখনও কখনও একটি ঝাঁকুনি বা কম্পনের অনুভূতিও তৈরি করতে পারে।

বজ্রপাতের শব্দের সাথে সাথে দৃশ্যমান ঝলকানি বা বজ্রপাতও ঘটে। বজ্রপাতের শব্দ এবং দৃশ্যমান ঝলকানি প্রায় একই সময়ে ঘটে, তবে শব্দটি দৃশ্যমান ঝলকানিতে সামান্য পরে আসে। এটি কারণ শব্দ তরঙ্গগুলি আলোর তরঙ্গের চেয়ে অনেক ধীর গতিতে ভ্রমণ করে।
0 টি ভোট
করেছেন (1,750 পয়েন্ট)

বজ্রপাতের সময় বাতাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। আমরা জানি বাতাস বিদ্যুৎ অপরিবাহী। কিন্তু মেঘে জমা হওয়া স্থির বিদ্যুৎ এত উচ্চ বিভব শক্তি (১০ মিলিয়ন ভোল্ট পর্যন্ত) উৎপন্ন করে যে, তা বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার জন্য বাতাসের একটা সরু চ্যানেলকে আয়নিত করে পরিবাহী পথ (conductive path) তৈরি করা হয়। আয়নিত পরমাণু থেকে বিকীর্ণ শক্তি তিব্র আলোক ছটা তৈরি হয়।উরংপযধৎমব হওয়ার সময় বাতাসের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, একে বলা হয় air breakdown। এ সময় বাতাসের যে চ্যানেলের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় তার তাপমাত্রা প্রায় ২৭০০০ ডিগ্রি সেঃ (যা সূর্যের তাপমাত্রা থেকে বেশি) এ উন্নীত হয় এবং বাতাসের চাপ স্বাভাবিক চাপ থেকে ১০ থেকে ১০০ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। এ চাপ এবং তাপমাত্রায় পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র এক সেকেন্ডের কয়েক হাজার ভাগের এক ভাগ। এত কম সময়ে তাপমাত্রা ও চাপের এত ব্যাপক পরিবর্তন চারপাশের বায়ুন্ডলকে প্রচণ্ড গতিতে (বিস্ফোরণের মত) সম্প্রসারিত করে। এ সময় যে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয় সেটাই আমরা শুনতে পাই।

0 টি ভোট
করেছেন (1,920 পয়েন্ট)
পদার্থবিদ্যার আদর্শ গ্যাসের সূত্রানুযায়ী: [PV=nRT], তাপমাত্রা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেলে বাতাসের চাপ ও আয়তনও মুহূর্তের মধ্যে বহুগুণ বেড়ে যায়। মেঘ থেকে ভূমিতে বিদ্যুৎ নেমে আসার সময় বাতাসের অণুগুলো আয়নিত হয়ে উচ্চ তাপমাত্রার প্লাজমা চ্যানেল তৈরি করে। এই অতি-উচ্চ তাপমাত্রার কারণে প্লাজমা চ্যানেলের ভেতরের বাতাস বিস্ফোরক গতিতে চারপাশের শীতল বাতাসকে ধাক্কা দেয়। এই আকস্মিক প্রসারণের ফলে একটি শক ওয়েভ (Shock Wave) বা ধাক্কা তরঙ্গ তৈরি হয়। এই শক ওয়েভটিই বজ্রপাতের আঁকাবাঁকা পথ এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে প্রতিধ্বনিত হয়ে আমাদের কানে একটানা গুড়গুড় শব্দ এর অনূভুতি সৃষ্টি করে।

 

সোর্সঃ https://www.nssl.noaa.gov/education/svrwx101/lightning/

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 6 বার দেখা হয়েছে
+12 টি ভোট
1 উত্তর 465 বার দেখা হয়েছে
16 জুলাই 2020 "জীববিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন বিজ্ঞানের পোকা (11,730 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 1,331 বার দেখা হয়েছে
+7 টি ভোট
2 টি উত্তর 892 বার দেখা হয়েছে
+3 টি ভোট
3 টি উত্তর 6,777 বার দেখা হয়েছে

10,965 টি প্রশ্ন

18,674 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

886,025 জন সদস্য

50 জন অনলাইনে রয়েছে
2 জন সদস্য এবং 48 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. MD MYMO ZAMAN SHIHAB

    1820 পয়েন্ট

  2. Rayan Alam

    180 পয়েন্ট

  3. showravdas11

    120 পয়েন্ট

  4. vn88recom

    100 পয়েন্ট

  5. jilipokernet

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি মন কি বিস্তারিত রঙ সমস্যা মেয়ে মৃত্যু বাচ্চা বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ ভাইরাস বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত গতি কান্না আম
...