অলসতার প্রধান কারণ কি এবং শরীরে অলসতা তৈরির বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া কিভাবে সংগঠিত হয়? [poll] - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
2,347 বার দেখা হয়েছে
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (320 পয়েন্ট)
### no choices found for poll!

1 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (1,550 পয়েন্ট)
অলসতা মানে কর্মবিমূখতা। নিষ্ক্রিয় অথবা কর্মবিমূখ কিংবা উদ্যমহীন ব্যক্তিকে অলস বলা হয়। আলসেমি নিজের ও সমাজের অবক্ষয় ডেকে আনে। অলসতা একটি জাতির উন্নতির পথে হুমকিস্বরূপ। Procrastination কিংবা দীর্ঘসূত্রিতা যেন আমাদের এক মুদ্রাদোষ। আমরা অনেক সময়ই অনেক কাজ শুরু করার সময় ভেবে রাখি যে এই ক’দিনের মাঝে এই কাজটা শেষ করে ফেলব অথচ হাতে অবসর থাকার পরও আমরা দিনের পর দিন কাজটাকে অর্ধেক শেষ করেই ফেলে রাখি। স্থিরতা অর্থেও অলস শব্দের প্রয়োগ দেখা যায়। যেমন ধরুন আমরা প্রায়ই বলি, "কাকফাটা গরমের এই অলস মধ্যদুপুরে একগ্লাস ঠান্ডা বেলের শরবত যেন অমৃতের মতো লাগে।"

জন্মগতভাবে কোনো মানুষই কিন্তু নিরলস নয়। না আমরা, না জাপানিজরা। এরপরও অলসতাকে দূর করার জন্য জাপানিজ নাগরিক মাসাই লামাই এক অভিনব কৌশল আবিষ্কার করেছেন যার নাম হচ্ছে “Kaizen: One-Minute Principle” মাসাই বিশ্বাস করেন যে, এই পদ্ধতি একজন মানুষকে ব্যবসায়িক কিংবা ব্যক্তিগত যেকোনো জীবনেই সক্রিয়তা দান করবে। এখানে Kai ও Zen শব্দের অর্থ যথাক্রমে পরিবর্তন এবং জ্ঞান।

Kaizen এর পদ্ধতি:

অলসতা দূর করার জন্য Kaizen হচ্ছে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি যা ঘরে বসেই যে কেউ যেকোনো সময় করতে পারবে। এর জন্য ব্যবহারকারীকে প্রথমে একটা কাজ নির্বাচন করতে হবে যা সে করতে ভালবাসে। হতে পারে তা বাগান করা কিংবা উপন্যাসের বই পড়া ইত্যাদি যে কোনো কিছু।

Kaizen এর উপকারিতা:

উন্নত বিশ্বের অনেকেই মনে করেন যে, অলসতা কাটানোর জন্য পরিশ্রমের বিকল্প নেই যার কারণে Kaizen তাদের কাছে সমাদৃত নয়। কিন্তু অলসতা কাটানোর জন্য Kaizen এর বাস্তবেই জুড়ি নেই কারণ,

১। এটি যে কেউ ঘরে বসে সুবিধামত যেকোনো সময় করতে পারে। একজন্য অনেক পরিশ্রম নয় বরং ইচ্ছাশক্তি প্রয়োজন।

২। এর মাধ্যমে মানুষের মাঝে সময়ানুবর্তিতা আসে। অনেক বেশী অলস মানুষগুলোও এতে করে সময়ের কাজ সময় করতে শেখে।

৩। এতে করে দায়িত্ববোধের সৃষ্টি হয়। “আমার এটা সঠিক সময় করতেই হবে” এমন একটা মনোভাবের সৃষ্ট হয়।

৪। এর দ্বারা মানুষ বুঝতে পারে যে, চাইলে তাকে দ্বারা কোনো কিছুই অসম্ভব নয় এবং সে আত্মবিশ্বাসী হতে শেখে।

৫। এর ব্যবহারকারী কোনো কাজ না করতে পারার অজুহাত দেয়ার অভ্যাস দূর করতে পারবে।

৬। ব্যবস্থাপনায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী উপকার করে।

এরপরও কি কোনো কাজে আশ্রয় নেবেন দীর্ঘসূত্রিতার? তার চেয়ে বরং তিনটা কাজ করে জীবনটাকে বদলে ফেলুন। কাজ নির্বাচন করুন, সময় ঠিক করুন, এক মিনিট হাতে নিন এবং কাজে লেগে যান!
করেছেন (150 পয়েন্ট)
ধন্যবাদ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
1 উত্তর 408 বার দেখা হয়েছে
+4 টি ভোট
2 টি উত্তর 1,116 বার দেখা হয়েছে
+9 টি ভোট
1 উত্তর 552 বার দেখা হয়েছে
+1 টি ভোট
1 উত্তর 687 বার দেখা হয়েছে

10,980 টি প্রশ্ন

18,699 টি উত্তর

4,751 টি মন্তব্য

905,489 জন সদস্য

21 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 21 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. s8today1

    100 পয়েন্ট

  2. wsunwincooo

    100 পয়েন্ট

  3. ee88nvlcom

    100 পয়েন্ট

  4. krooziptvnet

    100 পয়েন্ট

  5. hitclub7site

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ মাথা গণিত প্রাণী স্বাস্থ্য বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত মেয়ে মৃত্যু বাচ্চা বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...