রক্তের বা পারিবারিক কোনো সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও, পৃথিবীতে কীভাবে দুই বা ততোধিক মানুষের চেহারা প্রায় হুবহু মিলে যেতে পারে? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
2,663 বার দেখা হয়েছে
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (520 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (71,360 পয়েন্ট)
 
সর্বোত্তম উত্তর
মানুষের চেহারা, শারীরিক গঠন ও আচরণ নির্ধারিত হয় তার জিন (DNA)-এর মাধ্যমে। প্রতিটি মানুষ তার বাবা ও মায়ের কাছ থেকে ২৩টি করে মোট ৪৬টি ক্রোমোজোম পায়, যা তার জিনগত গঠন নির্ধারণ করে। এই ক্রোমোজোমগুলোর মধ্যে থাকা নির্দিষ্ট জিনসমূহ চেহারার বৈশিষ্ট্য, যেমন: চোখ, নাক, মুখের গঠন, চুল ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। সন্তান জন্মের সময় শুক্রাণু ও ডিম্বাণু তৈরির সময় জেনেটিক রিকম্বিনেশন ও অন্যান্য কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবারই একদম নতুন জিনগত কম্বিনেশন তৈরি হয়, যা প্রতিটি মানুষকে অনন্য করে তোলে।

এই প্রাকৃতিক জিনগত বৈচিত্র্যের কারণেই একজন পুরুষ ও একজন নারীর মাঝে প্রায় ৬৪ ট্রিলিয়ন ভিন্ন ভিন্ন জেনেটিক কম্বিনেশন সম্ভব, যার ফলে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ দেখতে আলাদা হয়। তবে এত বিপুল সম্ভাবনার মাঝে কিছু কিছু মানুষ দেখতে কাছাকাছি হয়ে যেতে পারে, যাদের বলা হয় 'ডোপেলগ্যাঙ্গার' (Doppelganger)। এদের মধ্যে রক্তের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও মুখাবয়বের গঠন, চোখের আকৃতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যে মিল পাওয়া যায়।

তবে হুবহু চেহারার মিল সাধারণত শুধুমাত্র একই ডিম্বাণু ও একই শুক্রাণু থেকে জন্ম নেওয়া আইডেন্টিক্যাল জমজদের (identical twins) মধ্যেই দেখা যায়, কারণ তাদের DNA একদম একরকম হয়। অন্য সব ক্ষেত্রে চেহারার মিল ঘটলেও সেটা নিছক জেনেটিক কাকতালীয়তা (genetic coincidence) মাত্র। পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও এপিজেনেটিক পরিবর্তনের কারণে দেহের বাহিরের অংশে ভিন্নতা আসে। তাই পৃথিবীতে হুবহু একই চেহারার মানুষ পাওয়া অত্যন্ত বিরল, কিন্তু মিল থাকাটা বৈজ্ঞানিকভাবে পুরোপুরি সম্ভব।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 367 বার দেখা হয়েছে
+7 টি ভোট
1 উত্তর 406 বার দেখা হয়েছে
+2 টি ভোট
1 উত্তর 344 বার দেখা হয়েছে

10,899 টি প্রশ্ন

18,598 টি উত্তর

4,746 টি মন্তব্য

869,852 জন সদস্য

25 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 25 জন গেস্ট অনলাইনে

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা কী পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা লাল মনোবিজ্ঞান আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...