ইলেকট্রন এর আকৃতি কীরুপ?ইলেকট্রন কণার ন্যায় নয়।কারন ডি ব্রগলীর সমীকরণ অনুযায়ী ইলেকট্রন কণা ও তরঙ্গ উভয়ই। আর ইলেকট্রন প্রোটনের তুলনায় ১৮৩৬ গুণ হালকা বিধায় তার আকৃতি থাকবে না এমন টা তো নয়।কারন সমান পুরুত্ব,দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বিশিষ্ট লোহার পাত আর কাগজের ভরের মধ্যে অনেক তফাৎ।তবে? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+3 টি ভোট
334 বার দেখা হয়েছে
"রসায়ন" বিভাগে করেছেন (150 পয়েন্ট)

ডি ব্রগলীর সমীকরণ 

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (5,060 পয়েন্ট)
পরমাণুর যে গাঠনিক কণাটি প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল, তার নাম ইলেকট্রন। এই অতিপারমাণবিক কণাটি (আসলে এগুলো উপপারমাণবিক কণা, অর্থাৎ পরমাণু থেকে ছোট কণা) আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ পদার্থবিদ জোসেফ জন টমসন। ১৮৯৭ সালে ক্যাথোড রে টিউব নিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে এই খুদে কণা খুঁজে পান তিনি।

 

কণা পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মৌলিক কণাগুলো প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একভাগ ফার্মিয়ন, আরেক ভাগ বোসন। ফার্মিয়ন হলো বস্তুকণা। যেমন ইলেকট্রন। আর বোসন হলো বস্তুকণাদের মধ্যে বলের বাহক। যেমন ফোটন। ফোটন কণা বিদ্যুৎচুম্বকীয় বলের বাহক হিসেবে ইলেকট্রন কণাদের সঙ্গে কাজ করে। মানে ইলেকট্রন কণাদের মধ্যে শক্তি বিনিময় করে ফোটন।

 

ইলেকট্রনকে বলা হয় স্থিতিশীল এবং মৌলিক কণা। কারণ প্রোটন বা নিউট্রনের মতো একে আরও ক্ষুদ্র কোনো কণায় ভাঙা যায় না। আবার এখন পর্যন্ত এদের ক্ষয় হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এদের আয়ু দীর্ঘ, এমনকি অসীমও হতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। কারণ পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র অনুসারে, কোনো ভর বা চার্জ এমনি এমনি স্রেফ ভোজবাজির মতো শূন্য মিলিয়ে যেতে পারে না। এ কারণে ইলেকট্রন এত স্থিতিশীল। তবে কোনো ইলেকট্রন যদি তার প্রতিকণার মুখোমুখি হয়, তাহলে তারা পরস্পরকে ধ্বংস করে ফেলে। এবং শক্তি নিঃসরণ করে। ইলেকট্রনের এই প্রতিকণাকে বলা হয় পজিট্রন। পজিট্রনের ভর ইলেকট্রনের মতো, তবে এর চার্জ ধনাত্মক। পজিট্রনের সঙ্গে ইলেকট্রনের সংঘর্ষে শক্তি নিঃসৃত হয় দুটি ফোটন হিসেবে। অর্থাৎ আলোর কণা হিসেবে। বিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যানের নীতি অনুযায়ী, এর উল্টোটাও ঘটা সম্ভব।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
1 উত্তর 376 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
2 টি উত্তর 668 বার দেখা হয়েছে

10,899 টি প্রশ্ন

18,598 টি উত্তর

4,746 টি মন্তব্য

869,852 জন সদস্য

27 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 27 জন গেস্ট অনলাইনে

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা কী পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা লাল মনোবিজ্ঞান আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...