বিজ্ঞানী জে. জে. থমসন ১৮৯৭ সালে ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন। আর রাদারফোর্ড ১৯১১ সালে এটি প্রমাণ করেন যে পরমাণু বিভাজ্য। বিভাজ্য নাকি অবিভাজ্য এটা আবিষ্কার হওয়ার আগেই ইলেকট্রন কীভাবে আবিষ্কৃত হয়? আর ইলেকট্রন আবিষ্কৃত হয়ে যাওয়ার পর রাদারফোর্ডকে কেন এটা প্রমাণ করতে হয়েছে যে পরমাণু বিভাজ্য নাকি অবিভাজ্য? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

0 টি ভোট
69 বার দেখা হয়েছে
"পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (1,020 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (1,020 পয়েন্ট)
এই প্রশ্নেই উত্তর আছে৷ খেঁয়াল করলেই বুঝতে পারবেন।

প্রথমত ডাল্টন ঘোষণা করেন পরমাণু অবিভাজ্য। যা ডাল্টনের পরমাণুবাদ নামে পরিচিত । কিন্তু থমসন দেখান যে, পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রনের মতো আরও ক্ষুদ্র কণা আছে, যার অর্থ পরমাণুকে ভাঙা সম্ভব।

থমসন “পরমাণু অবিভাজ্য” ধারণা নিয়ে কাজ করছিলেন। ১৮৯৭ থমসন ক্যাথোড রশ্মি (cathode ray) নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন—ক্যাথোড রশ্মি ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণার দ্বারা গঠিত, এই কণাগুলোর ভর খুবই কম। এগুলো সব ধরনের পদার্থ থেকেই উৎপন্ন হয়।

তিনি সিদ্ধান্ত নেন এগুলো একটি মৌলিক কণা। যার নাম দেন" ইলেকট্রন"-

এই পরীক্ষায় দেখা গেল—পরমাণু থেকে ছোট কণা (ইলেকট্রন) বের হচ্ছে, ফলে পুরনো ধারণা ভেঙে যায় ,বোঝা যায় পরমাণু বিভাজ্য।

এখন থমসনের কাজ ছিলো শুধু “পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রন আছে” প্রমাণ করা। এরপর তিনি পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করার জন্য একটি মডেল প্রস্তাব করেন, যা "প্লাম পুডিং মডেল" (Plum Pudding Model) নামে পরিচিত। এই মডেলে তিনি বলেন, পরমাণু হলো একটি ধনাত্মক আধানযুক্ত গোলক, যার মধ্যে ইলেকট্রনগুলো ছড়ানো থাকে (যেমন তরমুজের ভেতরে বীজ থাকে)।

থমসেনর কাজ এই পর্যন্তই শেষ। তিনি পরমানুর পূর্নাঙ্গ কোন মডেল প্রদান ও প্রমাণ করতে পারেননি। পরমানুর গঠন তার মধ্যকার নিউক্লিয়াস, প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন এর উপস্থিতি ও কিভাবে থাকে (মডেল) এগুলো প্রমান করতে পারেননি। তিনি শুধু পরমাণুর মধ্যে উপস্থিত ইলেকট্রনকে শনাক্ত করতে পেরেছিলেন।

এরপর রাদারফোর্ড পরমাণু পূর্নাঙ্গ গঠন, নিউক্লিয়াস ইত্যাদির অবস্থান ব্যাখ্যা ও প্রমান করেছিলেন।

চূড়ান্ত সারাংশ এভাবে লেখা যায়

ডালটন: পরমাণু অবিভাজ্য

থমসন: পরমাণুতে ইলেকট্রনের উপস্থিতি শনাক্ত→ ইলেকট্রন আবিষ্কার → পরমাণু বিভাজ্য

রাদারফোর্ড: পরমাণুর কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াস ও গঠন ব্যাখ্যা → পদার্থের বিভাজ্যতার প্রমাণ ও পরমাণুর পূর্নাঙ্গ মডেল প্রদান ( যদিও তার মডেলেও কিছু সীমাবদ্ধতা ছিলো)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+2 টি ভোট
2 টি উত্তর 700 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
2 টি উত্তর 738 বার দেখা হয়েছে
+3 টি ভোট
1 উত্তর 1,457 বার দেখা হয়েছে
+3 টি ভোট
1 উত্তর 520 বার দেখা হয়েছে

10,953 টি প্রশ্ন

18,663 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

885,255 জন সদস্য

16 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 16 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. MD MYMO ZAMAN SHIHAB

    1160 পয়েন্ট

  2. Rayan Alam

    180 পয়েন্ট

  3. 55ngng

    100 পয়েন্ট

  4. sunwin101net

    100 পয়েন্ট

  5. hargacapatlewat

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম চাঁদ বৃষ্টি কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো পা উদ্ভিদ পাখি গ্যাস মন কি বিস্তারিত রঙ সমস্যা মেয়ে মৃত্যু বাচ্চা বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ ভাইরাস বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত গতি কান্না আম
...