হ্যাঁ, বাংলাদেশে উৎপন্ন বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস ও জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব।
বাংলাদেশের বর্জ্যের বড় অংশ পচনশীল, যেমন খাবারের উচ্ছিষ্ট, সবজি/ ফলের খোসা, কৃষি বর্জ্য ও গোবর। এগুলো থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন করা যায় এবং অবশিষ্ট অংশ জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে ৫০-৭০% বর্জ্য অরগানিক তাই এই অংশ থেকে বায়োগ্যাস বানানোর সম্ভবনাও বাস্তব এবং বড়।
অন্যদিকে প্লাস্টিক ও অন্যান্য অপচনশীল বর্জ্যের মধ্যে আছে প্লাস্টিক ব্যাগ, পলিথিন, বোতল ইত্যাদি রয়েছে। এগুলোকে তাপ ও অক্সিজেন ছাড়া প্রসেস করলে পাওয়া যায় fuel oil, diesel like oil, gas ইত্যাদি পাওয়া যায় কিন্তু সরাসরি অকটেন বা পেট্রোল পাওয়া যায় না। কারণ, Refining, Purification, Quality control করতে হয়।
কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে-
- পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করা হয় না, তাই সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা কঠিন হয়।
- সব জায়গা থেকে নিয়মিতভাবে বর্জ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না।
- Investment-এর অভাব।
- এই প্রক্রিয়া চালু রাখার যে প্রযুক্তি দরকার তার জন্য দক্ষ জনবল ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। কিন্তু আমাদের তেমন দক্ষ প্রযুক্তি আর জনবলের অভাব রয়েছে।
- Policy ও enforcement দুর্বল
তাই সম্ভাবনা থাকলেও এসব সমস্যার কারণে বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা কঠিন। সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বর্জ্য নিজেই বড় energy resource হতে পারে।