ধুমকেতুর লেজ কিভাবে সৃষ্টি হয় ? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
549 বার দেখা হয়েছে
"জ্যোতির্বিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (12,990 পয়েন্ট)

ধুমকেতুর লেজ কিভাবে সৃষ্টি হয় ?

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (24,290 পয়েন্ট)
ধূমকেতু (comet) বরফ, ধুলো ও গ্যাস দিয়ে তৈরি এক ধরণের মহাজাগতিক বস্তু। সূর্যের খুব কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় আমরা সাধারণত ধূমকেতু দেখতে পাই এবং তা অনেকটা নারকেল ঝাঁটার মত দেখতে হয়। এদের একটা লম্বা লেজের জন্য আমরা খুব সহজেই এদের চিনতে পারি।

ধূমকেতু সচরাচর খালি চোখে দেখা যায় না এবং সূর্যের কাছাকাছি অনেক বছর পরপর আসে আর সেই সময়েই খালি চোখে ধূমকেতু দেখা যায়। ধূমকেতু সাধারণত উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং এর অনুসূর (সূর্যের কাছাকাছি) অবস্থানে এলে দেখা যায়।

ধূমকেতুর লেজ কেন হয় জানার আগে আরও একটা তথ্য জেনে রাখা ভাল, এমনিতে এদের লেজ থাকে না। ধূমকেতু অনুসূর অবস্থানে আসার সময় ধীরে ধীরে লেজ গজায়, একটা সময় সবচেয়ে বড় হয় আবার যখন সূর্য থেকে দূরে সরে যেতে থাকে এই লেজ কমে যেতে যেতে একসময় মিলিয়ে যায়।

এবার জেনে নেওয়া যাক ঠিক কি কি ঘটে এই সময় যে এই লেজ গজায়। ধূমকেতুর অনুসূর অবস্থানে অর্থাৎ সূর্যের কাছাকাছি এলে শুধু লেজ নয় এর মাথাও (coma) গঠিত হয়। কারণ সূর্যের কাছাকাছি এলে এর মধ্যে জমাট বেঁধে থাকা উদ্বায়ী বস্তুগুলি উত্তপ্ত হয়ে গ্যাস/জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা দিয়ে এর নিউক্লিয়াস বা মূল অংশকে ঘিরে আবহাওয়া (বা বায়ুমন্ডল) তৈরি করে যা ধূমকেতুর ভারী বস্তুগুলিকে ঘিরে রাখে। এই আবহমন্ডলই সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে আমাদের চোখে ধূমকেতুর মাথা হিসেবে দেখা দেয়।

এ তো গেল ধূমকেতুর মাথা গঠনের বিষয়। আসা যাক লেজ কি করে হয়। সাধারণত ধূমকেতুর দুটি লেজ দেখা যায় (শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রে স্পষ্ট হয়) - একটি ধুলোর লেজ (dust tail) আর একটি আয়ন লেজ বা গ্যাসীয় লেজ (lon Tail or Gas Tail)। সূর্যালোক ও সৌর বায়ু (solar wind) ধূমকেতুর উপর তীব্র চাপের সৃষ্টি করে যার প্রভাবে হালকা গ্যাস ও ছোট ছোট ধূলিকণাগুলি সূর্যের বিপরীতে চলে যায়। সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মি ধূমকেতুর গ্যাসকে আয়নিত করে ও সৌর বায়ু সেই আয়নিত গ্যাসকে সোজা ঠেলে নিয়ে যায়। এই আয়ন লেজের রঙ উজ্জ্বল নীল রঙের হয়। আর ধুলোর লেজের কণাগুলি ধূমকেতুর কক্ষপথে চলতে থাকে ফলে কিছুটা টেরচা হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। ধুলোর লেজটি পৃথিবী থেকে সাদা বা গোলাপী বর্ণের দেখায়। পাশের ছবিটি দেখলে সূর্যের অবস্থানের প্রেক্ষিতে লেজগুলির দিক বুঝতে সুবিধা হবে। এ কথা সবসময় মনে রাখবেন, ধূমকেতুর লেজের অবস্থান সূর্যের বিপরীতেই সবসময় হবে এবং তা ধূমকেতুর কক্ষপথের উপর নির্ভর করে না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+9 টি ভোট
2 টি উত্তর 3,378 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 333 বার দেখা হয়েছে
+1 টি ভোট
3 টি উত্তর 906 বার দেখা হয়েছে
30 জানুয়ারি 2022 "আইকিউ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Subrata Saha (15,210 পয়েন্ট)
+2 টি ভোট
2 টি উত্তর 463 বার দেখা হয়েছে
16 জানুয়ারি 2022 "প্রাণিবিদ্যা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anupom (15,280 পয়েন্ট)

10,930 টি প্রশ্ন

18,630 টি উত্তর

4,748 টি মন্তব্য

877,539 জন সদস্য

28 জন অনলাইনে রয়েছে
2 জন সদস্য এবং 26 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Mynul

    240 পয়েন্ট

  2. QBES TechHub

    120 পয়েন্ট

  3. শাহাদাত

    110 পয়েন্ট

  4. good88binnet

    100 পয়েন্ট

  5. Uu888chat

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল চাঁদ ডিম বৃষ্টি কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা আগুন লাল মনোবিজ্ঞান গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো পা উদ্ভিদ মন কি বিস্তারিত পাখি গ্যাস রঙ সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ ভাইরাস আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত বিড়াল গতি কান্না আম
...