বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণের মূল কারণ কি? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+2 টি ভোট
1,814 বার দেখা হয়েছে
"জীববিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (20,400 পয়েন্ট)

2 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (20,400 পয়েন্ট)
বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ : মূল কারণ কী?

বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি মানুষের আকর্ষণ থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে কেন থাকে এ আকর্ষণ? কখনো কী এমন প্রশ্ন মাথায় এসেছে আপনার? সম্প্রতি এক দল গবেষক এ আকর্ষণের কারন অনুসন্ধান করেছেন। তাদের গবেষণার গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি ন্যাচার কমিউনিকেশন জার্নালে প্রকাশিত হয়।

গবেষক দল বলছেন যে, কিসপেপটিন নামক আমাদের মস্তিষ্কের এক ধরণের হরমোন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আমাদের আকর্ষণের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও আমাদের যৌন আচরণ কেমন হবে তাও নিয়ন্ত্রণ করে এই হরমোন। শুধু তাই নয়, সাইকোসেক্সুয়াল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায়ও এই হরমোন সহায়ক হতে পারে বলে দাবি গবেষকদের।

জার্মানির সার্ল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উলরিখ বোহেম গবেষণা সম্পর্কে বলেন, “এই গবেষণা থেকে আমরা নতুন এক ধরণের তথ্য পাই যে, বাহক বাইরের পৃথিবী থেকে পাওয়া তথ্য কীভাবে মস্তিষ্কে পাঠায় আর মস্তিষ্ক কীভাবে তা বুঝতে সক্ষম হয়। একই সাথে সেই তথ্যের সহায়ক প্রতিক্রিয়াও মস্তিষ্ক যোগান দেয়”।

বয়ঃসন্ধির এবং প্রজনন ক্ষমতার সূচনায় কিসপেপটিন হরমোনই যে মূল ভূমিকা রাখে ইতোমধ্যে বিজ্ঞানীরা তা জানেন। গিনিপিগ ইঁদুরের ওপর চালানো এ গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের নিউরনের একটি সহ উপাদান বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ এবং যৌন আচরণ প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

পুরুষ ইঁদুরের মস্তিষ্কে ফেরমোন নামক এক ধরণের রাসায়নিক উপাদান উৎপাদন ও নির্গত হয়। এই উপাদানটিই নিউরনের অন্যান্য অংশে এক বার্তা পাঠায় যার কারণে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ অনুভুত হয়। একই সাথে, এই উপাদান নিউরনের অন্যান্য অংশে আরেকটি বার্তা পাঠায় যার কারণে নিউট্রোট্রান্সমিটার নাইট্রিক এসিড উৎপন্ন হয়। এই এসিডই বাহকের যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই গবেষণা কাজে লাগিয়ে হাইপোসেক্সুয়াল ডিসঅর্ডার যেমন অতিরিক্ত যৌন কাজের চাহিদার মতো অসুখের চিকিৎসা করা যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন অধ্যাপক বোহেম।

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ক্রেডিট: অধিকার নিউজ
0 টি ভোট
করেছেন (9,390 পয়েন্ট)

বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি মানুষের আকর্ষণ থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে কেন থাকে এ আকর্ষণ? কখনো কী এমন প্রশ্ন মাথায় এসেছে আপনার? সম্প্রতি এক দল গবেষক এ আকর্ষণের কারন অনুসন্ধান করেছেন। তাদের গবেষণার গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি ন্যাচার কমিউনিকেশন জার্নালে প্রকাশিত হয়।

গবেষক দল বলছেন যে, কিসপেপটিন নামক আমাদের মস্তিষ্কের এক ধরণের হরমোন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আমাদের আকর্ষণের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও আমাদের যৌন আচরণ কেমন হবে তাও নিয়ন্ত্রণ করে এই হরমোন। শুধু তাই নয়, সাইকোসেক্সুয়াল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায়ও এই হরমোন সহায়ক হতে পারে বলে দাবি গবেষকদের।

জার্মানির সার্ল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উলরিখ বোহেম গবেষণা সম্পর্কে বলেন, “এই গবেষণা থেকে আমরা নতুন এক ধরণের তথ্য পাই যে, বাহক বাইরের পৃথিবী থেকে পাওয়া তথ্য কীভাবে মস্তিষ্কে পাঠায় আর মস্তিষ্ক কীভাবে তা বুঝতে সক্ষম হয়। একই সাথে সেই তথ্যের সহায়ক প্রতিক্রিয়াও মস্তিষ্ক যোগান দেয়”।

বয়ঃসন্ধির এবং প্রজনন ক্ষমতার সূচনায় কিসপেপটিন হরমোনই যে মূল ভূমিকা রাখে ইতোমধ্যে বিজ্ঞানীরা তা জানেন। গিনিপিগ ইঁদুরের ওপর চালানো এ গবেষণায় দেখা গেছে, মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের নিউরনের একটি সহ উপাদান বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ এবং যৌন আচরণ প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

পুরুষ ইঁদুরের মস্তিষ্কে ফেরমোন নামক এক ধরণের রাসায়নিক উপাদান উৎপাদন ও নির্গত হয়। এই উপাদানটিই নিউরনের অন্যান্য অংশে এক বার্তা পাঠায় যার কারণে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ অনুভুত হয়। একই সাথে, এই উপাদান নিউরনের অন্যান্য অংশে আরেকটি বার্তা পাঠায় যার কারণে নিউট্রোট্রান্সমিটার নাইট্রিক এসিড উৎপন্ন হয়। এই এসিডই বাহকের যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই গবেষণা কাজে লাগিয়ে হাইপোসেক্সুয়াল ডিসঅর্ডার যেমন অতিরিক্ত যৌন কাজের চাহিদার মতো অসুখের চিকিৎসা করা যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন অধ্যাপক বোহেম।

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 611 বার দেখা হয়েছে
+5 টি ভোট
2 টি উত্তর 673 বার দেখা হয়েছে
+5 টি ভোট
1 উত্তর 479 বার দেখা হয়েছে

10,914 টি প্রশ্ন

18,613 টি উত্তর

4,747 টি মন্তব্য

873,115 জন সদস্য

40 জন অনলাইনে রয়েছে
2 জন সদস্য এবং 38 জন গেস্ট অনলাইনে

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা আগুন লাল মনোবিজ্ঞান গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...