ফ্যামিলি মেম্বার থেকে রক্ত নেওয়া সেইফ? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

0 টি ভোট
51 বার দেখা হয়েছে
"জীববিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (120 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (140 পয়েন্ট)

রক্তের প্রয়োজন হলে অনেকে ভাইবোন বা নিকটাত্মীয় খোঁজেন। কিন্তু নিকটাত্মীয় অর্থাৎ মা–বাবা, সন্তান, ভাইবোনের রক্ত নিলে একধরনের গুরুতর প্রতিক্রিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলে ‘ট্রান্সফিউশন অ্যাসোসিয়েটেড গ্রাফট ভার্সাস হোস্ট ডিজিজ’। যদিও এই রোগ খুব বিরল, কিন্তু এই রোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর ঝুঁকি ৯০ শতাংশ।

 

কেন হয়?

এই রোগে সাধারণত রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার রক্তকণিকার ম্যাচিং বিন্যাস (এইচএলএ) এমন হয় যে গ্রহীতার রক্তের প্রতিরক্ষা প্রদানকারী কোষের কাছে রক্তদাতার কোষগুলোকে নিজের বলে প্রতীয়মান হয়। কিন্তু দাতার রক্তের প্রতিরক্ষা প্রদানকারী কোষের কাছে গ্রহীতার কোষগুলো শত্রু প্রতিপন্ন হয়। দাতার এই কোষগুলো গ্রহীতার শরীরে প্রবেশের পর সংখ্যা বৃদ্ধি করে গ্রহীতার কোষগুলোকে ধ্বংস করে দেয়।

 

রোগের বৈশিষ্ট্য

নিকটাত্মীয়ের রক্ত গ্রহণের দুই দিন থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে গ্রহীতার এই রোগ হতে পারে, যার ফলে ফুসকুড়ি, জ্বর বা ডায়রিয়া হয়। শরীরের ভেতরেও কিছু পরিবর্তন হতে পারে, যেমন যকৃৎ বড় হয়ে যেতে পারে, কমে যেত পারে রক্তের কোষ (লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা, অণুচক্রিকা)। এই রোগে পুরুষের মৃত্যুঝুঁকি বেশি। বয়স্ক কিংবা হৃৎপিণ্ডের অস্ত্রোপচার হয়েছে এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রেও মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। যাদের ক্ষেত্রে নিকটাত্মীয়ের রক্তের সম্পূর্ণ অংশ (হোল ব্লাড) গ্রহণ করা হয়, তাদেরও ঝুঁকি বেশি।

 

রক্ত নেওয়ার সময় খেয়াল রাখুন

ঝুঁকি এড়াতে নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণে বিরত থাকতে হবে। তবে একান্তই যদি নিকটাত্মীয়ের রক্ত নিতে হয়, তাহলে রক্ত পরিসঞ্চালনের আগে বিশেষ প্রযুক্তির (ইরেডিয়েশন) মাধ্যমে সেই রক্তের প্রতিরক্ষা প্রদানকারী কোষগুলোকে ধ্বংস করে নিতে হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমন ব্যবস্থা রয়েছে। এ ধরনের সুযোগ অপ্রতুল বলে যে কারও রক্তের প্রয়োজন হলে একই ব্লাড গ্রুপের অনাত্মীয় আর নিরাপদ রক্ত খোঁজাই সর্বোত্তম।

 

ডা. জেসমিন সুলতানা: জুনিয়র কনসালট্যান্ট, ডেলটা হাসপাতাল লিমিটেড, ঢাকা

 Source Link

0 টি ভোট
পূর্বে করেছেন (220 পয়েন্ট)

প্রয়োজনে পরিবারের সদস্যের কাছ থেকে রক্ত নেওয়া যেতে পারে, তবে শুধুমাত্র আত্মীয় হওয়ার কারণে রক্ত নিরাপদ—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। রক্ত দেওয়ার আগে রক্তদাতা ও রোগীর ABO এবং Rh ব্লাড গ্রুপ ও ক্রস-ম্যাচিং পরীক্ষা করা জরুরি। রক্তের গ্রুপ মিললেও হাসপাতাল বা ব্লাড ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ছাড়া রক্ত দেওয়া উচিত নয়।

রক্তদাতার রক্তে HIV, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, সিফিলিসসহ রক্তের মাধ্যমে ছড়াতে পারে এমন সংক্রমণ আছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কিছু বংশগত রোগ বা বিশেষ পরিস্থিতি থাকলে সরাসরি রক্ত নেওয়া সবসময় উপযুক্ত নাও হতে পারে।

বিশেষ করে নিকট আত্মীয়ের কাছ থেকে সরাসরি বা অপরীক্ষিত রক্ত নেওয়া উচিত নয়। কিছু ক্ষেত্রে আত্মীয়ের রক্তে থাকা নির্দিষ্ট রোগপ্রতিরোধী কোষের কারণে বিরল কিন্তু গুরুতর জটিলতা হতে পারে। তাই রক্ত প্রয়োজন হলে স্বীকৃত হাসপাতাল বা ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে রক্ত সংগ্রহ ও পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

অর্থাৎ, পরিবারের সদস্য রক্তদাতা হতে পারেন, কিন্তু সঠিক রক্তের গ্রুপ, ক্রস-ম্যাচিং, সংক্রমণ পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শের পরেই রক্ত দেওয়া উচিত। জরুরি পরিস্থিতিতেও হাসপাতালের চিকিৎসক ও ব্লাড ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 111 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
3 টি উত্তর 1,272 বার দেখা হয়েছে
+4 টি ভোট
5 টি উত্তর 1,005 বার দেখা হয়েছে

11,019 টি প্রশ্ন

18,697 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

894,703 জন সদস্য

28 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 28 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. draktim240

    120 পয়েন্ট

  2. spn888

    100 পয়েন্ট

  3. 88clbggcom

    100 পয়েন্ট

  4. Hb883net

    100 পয়েন্ট

  5. xoilactvrucom

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...