তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র অনুযায়ী, মহাবিশ্বে শক্তির কোনো সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই, এটি কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত অথবা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হতে পারে।
যখন কোনো বস্তুকে গরম করা হয়, তখন উক্ত বস্তুর মধ্যে থাকা অণু বা পরমাণুগুলো অনেক বেশি গতিশক্তিতে কাঁপতে থাকে। এমতাবস্থায়, বস্তুটিকে যখন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে দেওয়া হয়, তখন এটি তার আশে পাশের কম তাপমাত্রার বায়ু বা পরিবেশের সংস্পর্শে আসে। ফলে, গরম বস্তুর অতিরিক্ত তাপশক্তি মূলত তিনটি উপায়ে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে:
১। পরিবহন (Conduction) এর মাধ্যমে গরম বস্তুটির সংস্পর্শে থাকা আশপাশের বায়ুর অণুগুলোর সাথে সংঘর্ষের ফলে তাপশক্তি সরাসরি স্থানান্তরিত হয়।
২। পরিচলন (Convection) এর মাধ্যমে বস্তুটির চারপাশের গরম বাতাস হয়ে ওপরে উঠে যায় এবং ঠান্ডা বাতাস এসে সেই জায়গায় প্রতিস্থাপিত হয়, যা ক্রমাগত গরম বস্তুটি থেকে তাপ শুষে নেয়।
৩। বিকিরণ (Radiation) পক্রিয়ার মাধ্যমে বস্তুটির পৃষ্ঠ থেকে অবলোহিত আলো বা ইনফ্রারেড রশ্মি (Infrared Radiation) হিসেবে তাপশক্তি চারদিকের পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে।
সোর্সঃ
https://www.bbc.co.uk/bitesize/articles/znw7jsg