মেয়েদের এত ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন (মুড সুইং) হয় কেন? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
1,035 বার দেখা হয়েছে
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (15,210 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (15,210 পয়েন্ট)
 
সর্বোত্তম উত্তর
মেয়েদের ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন (মুড সুইং) হয় : এমন খুব কম সংখ্যক ছেলে আছে যারা মেয়েদের মুড সুইং এর ব্যাপারে জানে অথবা জেনেও গুরুত্ব দেয় না! আগে না বুঝলেও এখন বুঝতে পারছি এই ব্যাপারটা একটা অভিশাপ।আপনি যদি কখনো দেখেন আপনার মা, বোন, বান্ধবী, প্রেমিকা, স্ত্রী কিংবা কন্যা অকারনে ইমোশনাল হচ্ছে, অযথা রাগ করছে, কাঁদছে, চিৎকার করছে, ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যাচ্ছে তখন প্লিজ তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন! কারন হরমোনাল ইমব্যালেন্স, মেন্সট্রুয়াল সাইকেল সহ বিভিন্ন কারণে বেশিরভাগ মেয়ে মুড সুইং এ ভুগে। হঠাৎ হঠাৎ তাদের বিহেভ পাল্টে যায়। ওভার রিঅ্যাক্ট করে। আমরা মেয়েটাকে সাইকো বলি। কিন্তু মেয়েটা আসলে সাইকো না। আবেগ, মায়া মমতায় ভরা একটা মানুষ সে। মুড সুইং-এ ভুগা মেয়েগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় প্রাণী। ওরা নিজের সাথে যুদ্ধ করে আপনার আমার সাথে নরমাল বিহেভ করতে চায়। কিন্তু তা মাঝেমধ্যে পেরে উঠেনা।ওভার রিঅ্যাক্ট করে ফেলে। ওরা ইচ্ছা করে এমনটা করেনা। ওদের শরীরে বিভিন্ন প্রকার হরমোনের প্রভাবে ওরা এমন করে। হয়তো সে নিজেও জানে না কিভাবে নিজের মুড সুইং কে হ্যান্ডেল করতে হয়......!!ওদের এই মুড সুইং টা বেশিভাগ ক্ষেত্রে তার প্রিয় মানুষগুলার সাথে হয়। এই দেখছেন ও খুব হাসি খুশিই আছে কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করে দেখলেন সে অন্যরকম বিহেভ করছে। হতে পারে সে আপনার কাছ থেকে মনে মনে কিছু চাইতেছে, কিন্তু সেটা প্রকাশ করতে পারছেনা, ও চায় আপনি বুঝুন তাকে কিন্তু যখন দেখে তার কাছের প্রিয় মানুষটা তার চাওয়াটা পূরণ করবে তো দূরে থাক বুঝতেই পারেনি সে কি চায় তখন সে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে না, সেই আশা পূরণ না হওয়ার কারণে নিমিষেই সে পাল্টে যায়। পরে ফেলে আপনার সাথে ওভার রিঅ্যাক্ট। আবার কিছুক্ষণ পরেই সে ঠিক হয়ে যায় কিন্তু আপনি তার মুড সুইং এর ব্যাপারটা ধরতে পারেন নি বলে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনিও করে ফেলেন মিসবিহেভ কিংবা তাকে এড়িয়ে চলেন এতে করে সেই মুড সুইং হওয়া মেয়েটি আস্তে আস্তে সবার থেকে গুটিয়ে নেয় নিজেকে।তাদের কে ন্যাকা, এইমলেস বলে রূঢ় আচরণ না করে বরং এমন একজন হোন যার কাঁধে মাথা রেখে কাঁদা যায়! যার কাছে মন খুলে কিছু কথা বলা যায়! যখন ওদের সবকিছু ভুল মনে হতে থাকে,,, নিজেকেই নিজের আর সহ্য না হয়,,, সবকিছু অর্থহীন মনে হতে থাকে,,, তখন চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করে; বিশ্বাস করেন,, ঐ মুহূর্তে স্রেফ একজন শোনার মানুষের দরকার হয়,,যে কিনা খুব মনোযোগ দিয়ে ভীষণ অগোছালো আর অর্থহীন কথাগুলো কেবলই শুনে যাবে! হয়তো কথা গুলো বলে সে নিজেকে হাল্কা অনুভব করবে।বাঙালিরা মুড সুয়িং কে ন্যাকামি মনে করে।তাই তো ডিপ্রেশনে বেশি ভোগে শুধু মানুষিক স্বাস্থ্যের যত্ন না নেয়ার কারনে।ওদের একটু বুঝুন, দেখবেন ঘনঘন মুড সুইং হওয়া মেয়েটা সাইকো না সেও কিন্তু লক্ষী একটা মেয়ে। মুড সুইং ছেলে বা মেয়ে, নারী কিংবা পুরুষ, সকলেরই হয় এটি। এবিষয় নিয়ে অনেক কিছুই এখনও অস্পষ্ট। তবে, হরমোনের ব্যাপক পরিবর্তনের সাথে মুড সুইং-এর সম্পর্ক লক্ষ করা যায়। এজন্য পুরুষের তুলনায় নারীর এবং প্রাপ্তবয়সের চেয়ে বয়ঃসন্ধি-কালে এটি বেশি হয়ে থাকে। হরমোনাল ইফেক্ট হলে কমবেশি ছেলেদেরও মুড সুইং হয়। তাদের সাথে কেমন ব্যবহার করব? মুড সুইং-এর প্রভাবে একজন মানুষ আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে পারে। তাই, কারো মুড সুইং হচ্ছে মনে হলে তার সাথে সাবধনতার সাথে কোমল ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও যা যা করা উচিত : তার কথা শুনুন। তাকে ভালোবাসা অনুভব করান। মুখের ওপর 'না' বলা পরিহার করুন। বিনোদনের ব্যবস্থা করুন। পরিস্থিতি জটিল হলে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন। নিজের মুড সুইং হলে কী করব? রুটিন ঠিক রাখুন। ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। এতে মানসিক চাপ কমবে। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। রাতে আগেভাগে ঘুমান, সকালে আগে জাগুন। সুষম খাদ্য খাওয়া হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখুন। সম্ভব হলে যোগ ব্যায়াম করুন। এতে মনের প্রশান্তি আসবে। মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন। নিজের ভেতর বন্দী না থেকে মন খুলে দিন। বেশি সমস্যা অনুভব করলে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন। মুড সুইং কাটানোর জন্য আপন
0 টি ভোট
করেছেন (33,350 পয়েন্ট)
গর্ভাবস্থায় হরমোনের ওঠানামা মনের ওপর প্রভাব ফেলে। এই সময়ও মায়েদের মধ্যে দেখা দেয় 'মুড সুইং'। তাছাড়া, মায়ের শারীরিক পরিবর্তন তার মনের ওপরে প্রভাব ফেলে মেজাজের তারতম্য ঘটাতে পারে। নারীদের মেনোপোজের সময় এস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমতে থাকে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+10 টি ভোট
2 টি উত্তর 5,979 বার দেখা হয়েছে
+8 টি ভোট
3 টি উত্তর 2,724 বার দেখা হয়েছে
+12 টি ভোট
2 টি উত্তর 1,063 বার দেখা হয়েছে
+10 টি ভোট
3 টি উত্তর 885 বার দেখা হয়েছে
29 ডিসেম্বর 2020 "মনোবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ahnaf Tahmid (5,090 পয়েন্ট)
+6 টি ভোট
2 টি উত্তর 3,790 বার দেখা হয়েছে
17 অক্টোবর 2020 "মনোবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন M M Hossain Raghib (900 পয়েন্ট)

10,930 টি প্রশ্ন

18,638 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

882,419 জন সদস্য

59 জন অনলাইনে রয়েছে
1 জন সদস্য এবং 58 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Taz_riyan

    260 পয়েন্ট

  2. 456gobrcom

    100 পয়েন্ট

  3. sc88info1

    100 পয়েন্ট

  4. go99singles1

    100 পয়েন্ট

  5. 5jbetapp

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম চাঁদ বৃষ্টি কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা আগুন লাল মনোবিজ্ঞান গাছ খাবার সাদা মস্তিষ্ক শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো পা উদ্ভিদ মন কি বিস্তারিত পাখি গ্যাস রঙ সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ ভাইরাস আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত বিড়াল গতি কান্না আম
...